ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রামিসা হত্যা: ‘ডলার’ ব্যক্তি নাকি মুদ্রা, যাচাই দরকার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 46

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার শুনানিতে প্রধান আসামি সোহেল রানা আবারও ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেও রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, মামলার জবানবন্দি ও চার্জশিটে এমন কোনো নাম নেই। তাই ‘ডলার’ আসলে কোনো ব্যক্তি নাকি কেবল মুদ্রার নাম, তা আগে যাচাই করা প্রয়োজন।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে ‘ডলার’ নাম নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বুধবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আসামি সোহেল রানা তার জবানবন্দিতে কিংবা মামলার চার্জশিটে কোথাও ‘ডলার’ নামের কোনো ব্যক্তির উল্লেখ করেননি। অথচ আদালতে এসে তিনি বারবার ওই নামটি বলছেন। ফলে ‘ডলার’ আসলে কোনো ব্যক্তি কি না, সেটি আগে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শুনানির সময় বিচারক সোহেল রানার কাছে কিছু বলার আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ স্যার। আমার সঙ্গে যে ছিল ডলার, তাকে ধরেন।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “আমি দোষ করিনি তা না, আমিও দোষ করেছি।” পরে আদালতের কাছে ক্ষমাও চান এবং তার স্ত্রী ও ছোট সন্তানের কথা উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, আদালতে দেওয়া বক্তব্যে সোহেল রানা কার্যত নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহও বলেন, সোহেল রানার বক্তব্যে দোষ স্বীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

অপর আসামি স্বপ্না আক্তার আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি।

শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষ আগামীকাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ফলে মামলার পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিশু রামিসা হত্যা: ‘ডলার’ ব্যক্তি নাকি মুদ্রা, যাচাই দরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার শুনানিতে প্রধান আসামি সোহেল রানা আবারও ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেও রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, মামলার জবানবন্দি ও চার্জশিটে এমন কোনো নাম নেই। তাই ‘ডলার’ আসলে কোনো ব্যক্তি নাকি কেবল মুদ্রার নাম, তা আগে যাচাই করা প্রয়োজন।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে ‘ডলার’ নাম নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বুধবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আসামি সোহেল রানা তার জবানবন্দিতে কিংবা মামলার চার্জশিটে কোথাও ‘ডলার’ নামের কোনো ব্যক্তির উল্লেখ করেননি। অথচ আদালতে এসে তিনি বারবার ওই নামটি বলছেন। ফলে ‘ডলার’ আসলে কোনো ব্যক্তি কি না, সেটি আগে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শুনানির সময় বিচারক সোহেল রানার কাছে কিছু বলার আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ স্যার। আমার সঙ্গে যে ছিল ডলার, তাকে ধরেন।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “আমি দোষ করিনি তা না, আমিও দোষ করেছি।” পরে আদালতের কাছে ক্ষমাও চান এবং তার স্ত্রী ও ছোট সন্তানের কথা উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, আদালতে দেওয়া বক্তব্যে সোহেল রানা কার্যত নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন। অন্যদিকে রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহও বলেন, সোহেল রানার বক্তব্যে দোষ স্বীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

অপর আসামি স্বপ্না আক্তার আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি।

শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষ আগামীকাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ফলে মামলার পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।