ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোরবানির চামড়া পাচার হবে না, ট্যানারিতে সরবরাহ বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সাভার প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • / 27

সাভারের আমিনবাজারে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও বাজার পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এবার চামড়া পাচারের কোনো আশঙ্কা নেই এবং ট্যানারি পর্যন্ত সরবরাহ আগের তুলনায় বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, এবারের কোরবানির চামড়া পাচার হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিকেলে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, এ বছর তুলনামূলকভাবে বেশি চামড়া সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং সেগুলো ট্যানারি পর্যন্ত পৌঁছাবে। ভবিষ্যতে এ খাতকে একটি স্থায়ী অবকাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, কাঁচা চামড়া বা ওয়েট ব্লু চামড়া সরাসরি রপ্তানি করলে তেমন মূল্য সংযোজন হয় না। বরং এটি দিয়ে জুতা, বেল্টসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে রপ্তানি করলে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব এবং কর্মসংস্থানও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি করা। আগামী দিনে দেশের সব কোরবানির চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ নিশ্চিত করা এবং সাভারের সিইটিপির বিদ্যমান সমস্যা দূর করা হবে, যাতে কোনো চামড়া নষ্ট না হয়। যেখানে চামড়া জমা হয়, সেখানে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে বলেও তিনি জানান।

লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণকারীরা এবার ভালো দাম পাবেন বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি চামড়া ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন।

এদিকে বিকেল থেকেই সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর ট্যানারি কারখানাগুলোতে চামড়া প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কোরবানির চামড়া পাচার হবে না, ট্যানারিতে সরবরাহ বাড়ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

সাভারের আমিনবাজারে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও বাজার পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এবার চামড়া পাচারের কোনো আশঙ্কা নেই এবং ট্যানারি পর্যন্ত সরবরাহ আগের তুলনায় বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, এবারের কোরবানির চামড়া পাচার হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিকেলে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, এ বছর তুলনামূলকভাবে বেশি চামড়া সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং সেগুলো ট্যানারি পর্যন্ত পৌঁছাবে। ভবিষ্যতে এ খাতকে একটি স্থায়ী অবকাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, কাঁচা চামড়া বা ওয়েট ব্লু চামড়া সরাসরি রপ্তানি করলে তেমন মূল্য সংযোজন হয় না। বরং এটি দিয়ে জুতা, বেল্টসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে রপ্তানি করলে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব এবং কর্মসংস্থানও বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে মূল্য সংযোজন বৃদ্ধি করা। আগামী দিনে দেশের সব কোরবানির চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ নিশ্চিত করা এবং সাভারের সিইটিপির বিদ্যমান সমস্যা দূর করা হবে, যাতে কোনো চামড়া নষ্ট না হয়। যেখানে চামড়া জমা হয়, সেখানে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে বলেও তিনি জানান।

লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণকারীরা এবার ভালো দাম পাবেন বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি চামড়া ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন।

এদিকে বিকেল থেকেই সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর ট্যানারি কারখানাগুলোতে চামড়া প্রবেশ করতে দেখা গেছে।