ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূলধন ঘাটতিতেও প্রণোদনা দিতে পারবে ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 17

নিট মুনাফা না থাকলেও, পরিচালন মুনাফা থাকলে এখন ব্যাংকগুলো কর্মীদের প্রণোদনা বোনাস দিতে পারবে—এমন সুযোগ রেখে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকিং খাতে কর্মীদের উৎসাহ ধরে রাখার প্রয়াস বলেই মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, মূলধনে ঘাটতি থাকলেও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে বোনাস দেওয়া যাবে।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা টানা হয়েছে—যেসব ব্যাংকের মূলধন আগের বছরের তুলনায় কমেনি, কেবল তারাই এই সুবিধা পাবে। পাশাপাশি যেসব প্রতিষ্ঠানের ডেফারেল সুবিধার প্রয়োজন নেই, সেগুলোও এই আওতায় থাকবে।

বোর্ডের অনুমোদনে সর্বোচ্চ এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ বোনাস দেওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য, এতে কর্মীদের মধ্যে আগ্রহ কিছুটা হলেও বাড়তে পারে এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশ টিকে থাকবে—যদিও বাস্তবে এর প্রভাব কতটা বিস্তৃত হবে, তা সময়ই বলবে।

উল্লেখযোগ্য যে, গত বছরের ডিসেম্বরে জারি করা নির্দেশনায় নিট মুনাফা না হলে বোনাস বন্ধ রাখার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতিও তখন বাধা ছিল। ফলে অনেক ব্যাংকেই উৎসাহ বোনাস কার্যত থেমে যায়। এতে তুলনামূলক দুর্বল অবস্থার ব্যাংকগুলো কর্মী ধরে রাখতে সমস্যায় পড়ছিল—এমন অভিযোগও উঠেছিল ভেতরে ভেতরে।

এই প্রেক্ষাপটে চলতি মাসে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নিয়ম শিথিলের অনুরোধ জানায়। তাদের যুক্তি ছিল, কঠোর সীমাবদ্ধতা বাস্তবে জনবল ব্যবস্থাপনাকে কঠিন করে তুলছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মূলধন ঘাটতিতেও প্রণোদনা দিতে পারবে ব্যাংক

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নিট মুনাফা না থাকলেও, পরিচালন মুনাফা থাকলে এখন ব্যাংকগুলো কর্মীদের প্রণোদনা বোনাস দিতে পারবে—এমন সুযোগ রেখে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকিং খাতে কর্মীদের উৎসাহ ধরে রাখার প্রয়াস বলেই মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, মূলধনে ঘাটতি থাকলেও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে বোনাস দেওয়া যাবে।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা টানা হয়েছে—যেসব ব্যাংকের মূলধন আগের বছরের তুলনায় কমেনি, কেবল তারাই এই সুবিধা পাবে। পাশাপাশি যেসব প্রতিষ্ঠানের ডেফারেল সুবিধার প্রয়োজন নেই, সেগুলোও এই আওতায় থাকবে।

বোর্ডের অনুমোদনে সর্বোচ্চ এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ বোনাস দেওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য, এতে কর্মীদের মধ্যে আগ্রহ কিছুটা হলেও বাড়তে পারে এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশ টিকে থাকবে—যদিও বাস্তবে এর প্রভাব কতটা বিস্তৃত হবে, তা সময়ই বলবে।

উল্লেখযোগ্য যে, গত বছরের ডিসেম্বরে জারি করা নির্দেশনায় নিট মুনাফা না হলে বোনাস বন্ধ রাখার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল। মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতিও তখন বাধা ছিল। ফলে অনেক ব্যাংকেই উৎসাহ বোনাস কার্যত থেমে যায়। এতে তুলনামূলক দুর্বল অবস্থার ব্যাংকগুলো কর্মী ধরে রাখতে সমস্যায় পড়ছিল—এমন অভিযোগও উঠেছিল ভেতরে ভেতরে।

এই প্রেক্ষাপটে চলতি মাসে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নিয়ম শিথিলের অনুরোধ জানায়। তাদের যুক্তি ছিল, কঠোর সীমাবদ্ধতা বাস্তবে জনবল ব্যবস্থাপনাকে কঠিন করে তুলছে।