ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামের প্রকোপ, শিশু সুরক্ষায় যা জানা জরুরি

বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 59

বর্তমানে দেশে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিকিৎসকদের মতে, সামান্য অসচেতনতা এই রোগকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

হাম কেন বিপজ্জনক?
হামকে কেবল সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে ভুল করা জীবনঘাতী হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হামের ফলে শিশুদের শরীরে নিম্নলিখিত জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তীব্র নিউমোনিয়া: ফুসফুসের সংক্রমণ যা শ্বাসকষ্ট তৈরি করে।

মস্তিষ্কের প্রদাহ: যা শিশুর স্নায়বিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতা: শরীর দ্রুত পানিশূন্য ও দুর্বল হয়ে পড়ে।

হামের লক্ষণসমূহ: শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো খেয়াল করুন-

১. প্রাথমিক লক্ষণ: প্রচণ্ড জ্বর, অনবরত কাশি এবং নাক দিয়ে পানি পড়া।

২. চোখের সমস্যা: চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি বোধ করা।

৩. র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি: কয়েক দিন পর মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া।

প্রতিরোধ ও সুরক্ষার উপায়: হাম থেকে শিশুকে বাঁচাতে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শগুলো হলো-

টিকাদান: নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে এমএমআর টিকা দেওয়া নিশ্চিত করুন। এটিই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।

আলাদা রাখা: আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ শিশুদের থেকে অন্তত ৮-১০ দিন আলাদা রাখুন, কারণ এটি দ্রুত ছড়ায়।

দ্রুত চিকিৎসা: জ্বরের সঙ্গে শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হামের প্রকোপ, শিশু সুরক্ষায় যা জানা জরুরি

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বর্তমানে দেশে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিকিৎসকদের মতে, সামান্য অসচেতনতা এই রোগকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

হাম কেন বিপজ্জনক?
হামকে কেবল সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে ভুল করা জীবনঘাতী হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হামের ফলে শিশুদের শরীরে নিম্নলিখিত জটিলতা দেখা দিতে পারে।

তীব্র নিউমোনিয়া: ফুসফুসের সংক্রমণ যা শ্বাসকষ্ট তৈরি করে।

মস্তিষ্কের প্রদাহ: যা শিশুর স্নায়বিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতা: শরীর দ্রুত পানিশূন্য ও দুর্বল হয়ে পড়ে।

হামের লক্ষণসমূহ: শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো খেয়াল করুন-

১. প্রাথমিক লক্ষণ: প্রচণ্ড জ্বর, অনবরত কাশি এবং নাক দিয়ে পানি পড়া।

২. চোখের সমস্যা: চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি বোধ করা।

৩. র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি: কয়েক দিন পর মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়া।

প্রতিরোধ ও সুরক্ষার উপায়: হাম থেকে শিশুকে বাঁচাতে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শগুলো হলো-

টিকাদান: নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে এমএমআর টিকা দেওয়া নিশ্চিত করুন। এটিই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।

আলাদা রাখা: আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ শিশুদের থেকে অন্তত ৮-১০ দিন আলাদা রাখুন, কারণ এটি দ্রুত ছড়ায়।

দ্রুত চিকিৎসা: জ্বরের সঙ্গে শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।