ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালী বন্ধের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 2

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১০৬ ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে এই অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ ডলার অতিক্রম করেছে। মূলত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফলে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতি সামগ্রিক তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বেশ শঙ্কিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন নৌযান ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত একটি ইরানি ট্যাংকার জব্দ করা হয়েছে। তবে ইরান দাবি করেছে, জাহাজ চলাচলে তারা কঠোর বাধা দেবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আরও প্রবল হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন করা হয়। আগে প্রতিদিন ১২৯টি জাহাজ চললেও এখন চলছে মাত্র ৯টি। বর্তমানে বাণিজ্যের এই বিশাল ঘাটতি তেলের দাম বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করছে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারের সূচকেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। মূলত জ্বালানি নিরাপত্তা এখন বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সংকট তীব্র হবে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলো বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। অবশেষে একটি কূটনৈতিক সমঝোতাই পারে এই অস্থিরতা দূর করতে। তেলের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হরমুজ প্রণালী বন্ধের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১০৬ ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে এই অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ ডলার অতিক্রম করেছে। মূলত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফলে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতি সামগ্রিক তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বেশ শঙ্কিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন নৌযান ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত একটি ইরানি ট্যাংকার জব্দ করা হয়েছে। তবে ইরান দাবি করেছে, জাহাজ চলাচলে তারা কঠোর বাধা দেবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আরও প্রবল হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি পরিবহন করা হয়। আগে প্রতিদিন ১২৯টি জাহাজ চললেও এখন চলছে মাত্র ৯টি। বর্তমানে বাণিজ্যের এই বিশাল ঘাটতি তেলের দাম বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করছে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারের সূচকেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। মূলত জ্বালানি নিরাপত্তা এখন বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সংকট তীব্র হবে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলো বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। অবশেষে একটি কূটনৈতিক সমঝোতাই পারে এই অস্থিরতা দূর করতে। তেলের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।