যে কারণে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে সরকার
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৫২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
- / 8
মুদ্রানীতি ও কাঠামোগত সংস্কারের ধীরগতিকে কেন্দ্র করে অর্থনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে—এমন আভাস দিয়েছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিআরআইয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ আশিকুর রহমান।
তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মার্চ মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের পক্ষে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ সরবরাহ করেছে, যাকে তিনি কার্যত অতিরিক্ত অর্থ সরবরাহ বা ‘হাই-পাওয়ার মানি’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এতে ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক সেমিনারে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে আশিকুর রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও নীতিগত পুনর্গঠনে গতি কমে গেলে তার মূল্য শেষ পর্যন্ত অর্থনীতিকেই দিতে হবে।
তাঁর মতে, এ ধরনের ধীরতা আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ)-এর সঙ্গে চলমান আলোচনাতেও অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি করছে।
তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ব্যাংক রেজোলিউশন কাঠামো নিয়ে সরকার নতুন করে মূল্যায়নের পথে গেলে নীতিগত অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে, যা বিনিয়োগ পরিবেশে আস্থার ঘাটতি তৈরি করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান।
তিনি ব্যবসায়ীদের বর্তমান দ্বিধার কথা তুলে ধরে বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে, যেখানে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় এখন বেশি জরুরি।
পিআরআই চেয়ারম্যান জাইদি সাত্তার বলেন, জ্বালানি খরচের ওঠানামা সরাসরি বাজারমূল্যে প্রতিফলিত হয়, ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট বা হরমুজ প্রণালির মতো ভূরাজনৈতিক চাপও স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, টেকসই সংস্কার না হলে এই চাপ দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।































