ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পে ফের চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 188

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের কাঠামো কী হবে—এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু করে কর্মসংস্থান বাড়ানো বিএনপির অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশেষভাবে বন্ধ পাটকল ও চিনিকল পুনরায় চালুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে পুরোনো শ্রমিকদের পুনর্বহাল এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের জুনে সংসদে দেওয়া তথ্যমতে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৯৭টি।

এর মধ্যে বিসিকের ৩৮২টি রুগ্ন বা বন্ধ শিল্প, বিসিআইসির পাঁচটি, বিএসএফআইসির অধীন ছয়টি চিনিকল এবং বিএসইসির চারটি কারখানা অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তী দুই বছরে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হলেও হালনাগাদ পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত এসব শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা যায় এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পে ফের চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের কাঠামো কী হবে—এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু করে কর্মসংস্থান বাড়ানো বিএনপির অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশেষভাবে বন্ধ পাটকল ও চিনিকল পুনরায় চালুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানে পুরোনো শ্রমিকদের পুনর্বহাল এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের জুনে সংসদে দেওয়া তথ্যমতে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৯৭টি।

এর মধ্যে বিসিকের ৩৮২টি রুগ্ন বা বন্ধ শিল্প, বিসিআইসির পাঁচটি, বিএসএফআইসির অধীন ছয়টি চিনিকল এবং বিএসইসির চারটি কারখানা অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তী দুই বছরে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হলেও হালনাগাদ পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত এসব শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা যায় এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।