ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র সুসংহত করতে সরকারের অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 148

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর অগ্রযাত্রা শক্তিশালী করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। মাতৃভাষার দাবিতে জীবনদানকারী শহীদদের রক্তের বিনিময়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির পথ উন্মোচিত হয়েছিল।

ভাষা আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকারই প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে সুদৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষা জাতির আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা আজ বিশ্বজুড়ে ভাষার অধিকার রক্ষার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পরবর্তী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের আদর্শ ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

দেশের ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক চর্চা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণতন্ত্র সুসংহত করতে সরকারের অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর অগ্রযাত্রা শক্তিশালী করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, একুশে ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। মাতৃভাষার দাবিতে জীবনদানকারী শহীদদের রক্তের বিনিময়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির পথ উন্মোচিত হয়েছিল।

ভাষা আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকারই প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে সুদৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষা জাতির আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা আজ বিশ্বজুড়ে ভাষার অধিকার রক্ষার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পরবর্তী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের আদর্শ ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

দেশের ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক চর্চা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।