ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইমরানের জন্য কান্নায় ভেঙে পড়লেন মিয়াঁদাদ

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 11

ইমরানের জন্য কান্নায় ভেঙে পড়লেন মিয়াঁদাদ

কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের সতীর্থ ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে এবার সোচ্চার হলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিয়াঁদাদ। ইমরানকে ‘সৎ মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সমস্যার সমাধান এবং তাকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী মিয়াঁদাদ। এনডিটিভি’র প্রতিবেদন।

সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার ইমরান খানের নেতৃত্বেই ১৯৯২ সালে প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। দুর্নীতির মামলায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা সেই সাবেক অধিনায়কের চিকিৎসা ও ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবিতে সম্প্রতি পাকিস্তান সরকারের কাছে চিঠি লিখেছেন ২১ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এর মধ্যেই পাকিস্তানি সাংবাদিকদের প্ল্যাটফর্ম ‘ন্যারেটিভস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইমরানের মুক্তির পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মিয়াঁদাদ।

ইমরানের সঙ্গে দীর্ঘ ক্রিকেটীয় সম্পর্কের কথা তুলে ধরে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘কেউ আমাকে এটা বুঝিয়ে বলুন। সে কি পাকিস্তানকে খেয়ে ফেলবে? আমরা সবাই পাকিস্তানি। একসঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা উচিত। সমস্যা যা-ই হোক, পাকিস্তানের এখন সেটিই প্রয়োজন। পরিস্থিতিকে অযথা দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে, এটা ঠিক নয়।’

৬৯ বছর বয়সী মিয়াঁদাদ খেলোয়াড়ি জীবনে ইমরানের সঙ্গে কোনো বিরোধ বা শত্রুতা ছিল, এমন ধারণাও নাকচ করে দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘কোনো শত্রুতা ছিল না। আমাদের মধ্যে কোনো ঝগড়াও হয়নি।’

ইমরানের সঙ্গে ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার স্মৃতিও তুলে ধরেন পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেটও খেলেছি। ইংল্যান্ডে ছয় মাস একসঙ্গে ছিলাম। পরে পাকিস্তান দলে আমি তাকে অধিনায়কত্বও দিয়েছিলাম। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল এবং আমরা একসঙ্গে ক্রিকেটের একটি দারুণ সময় কাটিয়েছি।’

মিয়াঁদাদ আরও বলেন, ‘প্রায়ই আমার মনে হয়, বেচারা কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে? আমরা খুব ঘনিষ্ঠ ছিলাম। একসঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছি, সময় কাটিয়েছি এবং একে অপরকে খুব ভালোভাবে বুঝতাম। একসঙ্গে আমরা পাকিস্তানকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিলাম।’

যদিও অবসর-পরবর্তী সময়ে ইমরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা নিয়ে মিয়াঁদাদ অতীতে কঠোর সমালোচনা করেছেন। ফলে সময়ের সঙ্গে দুজনের একসময়কার উষ্ণ সম্পর্কেও কিছুটা তিক্ততা তৈরি হয়েছিল। তবে এবার মিয়াঁদাদ স্পষ্ট করেছেন, অতীতে ইমরানকে নিয়ে তার মন্তব্যও হৃদয় থেকেই এসেছিল। একই সঙ্গে পাকিস্তানের জন্য ইমরানের অবদান ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মিয়াঁদাদ বলেন, ‘যা ভুল, তা ভুলই। অবশ্যই সে একজন জাতীয় বীর। আমি প্রার্থনা করি, এই সমস্যার সমাধান হোক। আমি পাকিস্তান সরকারের কাছেও আবেদন জানাচ্ছি। হয়তো অনেক কিছু বলার অবস্থানে আমি নেই, তবে এটুকু বলতে পারি সে আমার সহকর্মী। আমরা অনেক সময় একসঙ্গে কাটিয়েছি এবং একসঙ্গে খেলেছি। আমি ইমরানকে খুব ভালোভাবে চিনি। সে একজন সৎ মানুষ।’

সাবেক সতীর্থের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মিয়াঁদাদ। অশ্রুসিক্ত চোখে তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থনা হলো, যা সঠিক, তা যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বেশি আর কী বলতে পারি? আপনারা আমার চোখে পানি এনে দিয়েছেন। আমি যা বলছি, হৃদয় থেকেই বলছি।’

ইমরানের জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন মিয়াঁদাদ। তিনি বলেন, ‘আমি যদি কিছু করতে পারি, অবশ্যই করব। আমরা সবাই পাকিস্তানি। আমরা সবাই পাকিস্তানের পতাকা বহন করেছি। অন্য সব মতপার্থক্যের অবসান হওয়া উচিত। দেশপ্রেমের দিক থেকে সে কারও চেয়ে কম নয়। আমরা ক্রিকেট মাঠে লড়েছি। কার জন্য লড়েছি? পাকিস্তানের জন্য, যা হওয়ার হয়েছে। মানুষ মাত্রই ভুল করে। এখন এটাকে শেষ করুন।’

ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের জন্য কাজ করার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মিয়াঁদাদ। তিনি বলেন, ‘সে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দেশের সেবা করেছে। তার বিরুদ্ধে চুরির কোনো অভিযোগ নেই, কিংবা সে ধরনের কোনো অভিযোগও নেই।’

ইমরানের শারীরিক অবস্থা এবং তাকে ঘিরে তৈরি পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিয়াঁদাদ। তার আশঙ্কা, ইমরানের কিছু হলে পাকিস্তানে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ না করুন, তার কিছু হলে কী ঘটবে দেশে, তা কি কল্পনা করতে পারেন? পুরো পাকিস্তান কাঁদবে।’

ইমরান ও মিয়াঁদাদের ক্রিকেটীয় বন্ধুত্বের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি ১৯৯২ বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে ১৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েছিলেন। সেই জুটি পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ইমরান। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ক্ষমতা থেকে অপসারিত হওয়ার পর দুর্নীতি ও অন্যান্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মামলায় কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করে আসছেন ইমরান। মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করে আসছেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইমরানের জন্য কান্নায় ভেঙে পড়লেন মিয়াঁদাদ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের সতীর্থ ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে এবার সোচ্চার হলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিয়াঁদাদ। ইমরানকে ‘সৎ মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সমস্যার সমাধান এবং তাকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী মিয়াঁদাদ। এনডিটিভি’র প্রতিবেদন।

সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার ইমরান খানের নেতৃত্বেই ১৯৯২ সালে প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। দুর্নীতির মামলায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা সেই সাবেক অধিনায়কের চিকিৎসা ও ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবিতে সম্প্রতি পাকিস্তান সরকারের কাছে চিঠি লিখেছেন ২১ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এর মধ্যেই পাকিস্তানি সাংবাদিকদের প্ল্যাটফর্ম ‘ন্যারেটিভস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইমরানের মুক্তির পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মিয়াঁদাদ।

ইমরানের সঙ্গে দীর্ঘ ক্রিকেটীয় সম্পর্কের কথা তুলে ধরে মিয়াঁদাদ বলেন, ‘কেউ আমাকে এটা বুঝিয়ে বলুন। সে কি পাকিস্তানকে খেয়ে ফেলবে? আমরা সবাই পাকিস্তানি। একসঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা উচিত। সমস্যা যা-ই হোক, পাকিস্তানের এখন সেটিই প্রয়োজন। পরিস্থিতিকে অযথা দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে, এটা ঠিক নয়।’

৬৯ বছর বয়সী মিয়াঁদাদ খেলোয়াড়ি জীবনে ইমরানের সঙ্গে কোনো বিরোধ বা শত্রুতা ছিল, এমন ধারণাও নাকচ করে দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘কোনো শত্রুতা ছিল না। আমাদের মধ্যে কোনো ঝগড়াও হয়নি।’

ইমরানের সঙ্গে ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেট খেলার স্মৃতিও তুলে ধরেন পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেটও খেলেছি। ইংল্যান্ডে ছয় মাস একসঙ্গে ছিলাম। পরে পাকিস্তান দলে আমি তাকে অধিনায়কত্বও দিয়েছিলাম। আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো ছিল এবং আমরা একসঙ্গে ক্রিকেটের একটি দারুণ সময় কাটিয়েছি।’

মিয়াঁদাদ আরও বলেন, ‘প্রায়ই আমার মনে হয়, বেচারা কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে? আমরা খুব ঘনিষ্ঠ ছিলাম। একসঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছি, সময় কাটিয়েছি এবং একে অপরকে খুব ভালোভাবে বুঝতাম। একসঙ্গে আমরা পাকিস্তানকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিলাম।’

যদিও অবসর-পরবর্তী সময়ে ইমরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা নিয়ে মিয়াঁদাদ অতীতে কঠোর সমালোচনা করেছেন। ফলে সময়ের সঙ্গে দুজনের একসময়কার উষ্ণ সম্পর্কেও কিছুটা তিক্ততা তৈরি হয়েছিল। তবে এবার মিয়াঁদাদ স্পষ্ট করেছেন, অতীতে ইমরানকে নিয়ে তার মন্তব্যও হৃদয় থেকেই এসেছিল। একই সঙ্গে পাকিস্তানের জন্য ইমরানের অবদান ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মিয়াঁদাদ বলেন, ‘যা ভুল, তা ভুলই। অবশ্যই সে একজন জাতীয় বীর। আমি প্রার্থনা করি, এই সমস্যার সমাধান হোক। আমি পাকিস্তান সরকারের কাছেও আবেদন জানাচ্ছি। হয়তো অনেক কিছু বলার অবস্থানে আমি নেই, তবে এটুকু বলতে পারি সে আমার সহকর্মী। আমরা অনেক সময় একসঙ্গে কাটিয়েছি এবং একসঙ্গে খেলেছি। আমি ইমরানকে খুব ভালোভাবে চিনি। সে একজন সৎ মানুষ।’

সাবেক সতীর্থের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মিয়াঁদাদ। অশ্রুসিক্ত চোখে তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থনা হলো, যা সঠিক, তা যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বেশি আর কী বলতে পারি? আপনারা আমার চোখে পানি এনে দিয়েছেন। আমি যা বলছি, হৃদয় থেকেই বলছি।’

ইমরানের জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন মিয়াঁদাদ। তিনি বলেন, ‘আমি যদি কিছু করতে পারি, অবশ্যই করব। আমরা সবাই পাকিস্তানি। আমরা সবাই পাকিস্তানের পতাকা বহন করেছি। অন্য সব মতপার্থক্যের অবসান হওয়া উচিত। দেশপ্রেমের দিক থেকে সে কারও চেয়ে কম নয়। আমরা ক্রিকেট মাঠে লড়েছি। কার জন্য লড়েছি? পাকিস্তানের জন্য, যা হওয়ার হয়েছে। মানুষ মাত্রই ভুল করে। এখন এটাকে শেষ করুন।’

ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের জন্য কাজ করার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মিয়াঁদাদ। তিনি বলেন, ‘সে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দেশের সেবা করেছে। তার বিরুদ্ধে চুরির কোনো অভিযোগ নেই, কিংবা সে ধরনের কোনো অভিযোগও নেই।’

ইমরানের শারীরিক অবস্থা এবং তাকে ঘিরে তৈরি পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিয়াঁদাদ। তার আশঙ্কা, ইমরানের কিছু হলে পাকিস্তানে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ না করুন, তার কিছু হলে কী ঘটবে দেশে, তা কি কল্পনা করতে পারেন? পুরো পাকিস্তান কাঁদবে।’

ইমরান ও মিয়াঁদাদের ক্রিকেটীয় বন্ধুত্বের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি ১৯৯২ বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে ১৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েছিলেন। সেই জুটি পাকিস্তানের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্রিকেট ছেড়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ইমরান। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ক্ষমতা থেকে অপসারিত হওয়ার পর দুর্নীতি ও অন্যান্য মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও মামলায় কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করে আসছেন ইমরান। মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করে আসছেন তিনি।