ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কি আছে বিসিবি তদন্ত রিপোর্টে?

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 28

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়মের তদন্ত প্রতিবেদন শেষ পর্যন্ত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে জমা পড়েছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসির কাছে পাঠানো হবে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর বিসিবি সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য এটিএম সাইদউজ্জামান আগে জানিয়েছিলেন, ‘আমরা নির্ধারিত ১৫ কার্যদিবসের আগেই প্রতিবেদন জমা দেব।’ সত্যিই, ৫ এপ্রিল সকালেই কমিটি প্রতিবেদন ও সুপারিশমালা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ-এ সরাসরি জমা দিয়েছে।

কমিটি গঠিত হয়েছিল গত ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান নেতৃত্বে। মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে কি না তা যাচাই করা। গত বছর ২০২৫ সালের অক্টোবরে বিসিবি পরিচালকের নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। ঢাকা ও জেলা-ভাগের বিভিন্ন ক্লাব ও কাউন্সিলররা বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছিলেন, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সরকারের হস্তক্ষেপ নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল।

তদন্ত কমিটি সাক্ষাৎকার নিয়েছে নির্বাচনের তিনটি ক্যাটাগরির প্রতিনিধিদের সঙ্গে। তবে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কমিটির ডাকে উপস্থিত হননি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কমিটি তার অনুপস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং মন্তব্য জানিয়েছে যে, তার অংশগ্রহণ থাকলে অনেক বিষয় আরও পরিষ্কার হতো।

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও সরাসরি উপস্থিত না হয়ে লিখিত জবাব দিয়েছেন। তদন্তে মূল অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়েছে, কিন্তু কারো বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ প্রতিবেদনেই করা হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলে তা যাচাই করা হয়েছে।

সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘আমরা কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করি নি। এটি জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি বা ফৌজদারি বিচার ছিল না। আমাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা।’

কমিটি বিসিবির ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও সুষ্ঠু করার জন্য গাইডলাইন ও সুপারিশ দিয়েছে। সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের মধ্যে রয়েছে বিসিবির বর্তমান গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিষয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কি আছে বিসিবি তদন্ত রিপোর্টে?

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়মের তদন্ত প্রতিবেদন শেষ পর্যন্ত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে জমা পড়েছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসির কাছে পাঠানো হবে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর বিসিবি সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য এটিএম সাইদউজ্জামান আগে জানিয়েছিলেন, ‘আমরা নির্ধারিত ১৫ কার্যদিবসের আগেই প্রতিবেদন জমা দেব।’ সত্যিই, ৫ এপ্রিল সকালেই কমিটি প্রতিবেদন ও সুপারিশমালা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ-এ সরাসরি জমা দিয়েছে।

কমিটি গঠিত হয়েছিল গত ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান নেতৃত্বে। মূল লক্ষ্য ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে কি না তা যাচাই করা। গত বছর ২০২৫ সালের অক্টোবরে বিসিবি পরিচালকের নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। ঢাকা ও জেলা-ভাগের বিভিন্ন ক্লাব ও কাউন্সিলররা বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছিলেন, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সরকারের হস্তক্ষেপ নিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল।

তদন্ত কমিটি সাক্ষাৎকার নিয়েছে নির্বাচনের তিনটি ক্যাটাগরির প্রতিনিধিদের সঙ্গে। তবে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কমিটির ডাকে উপস্থিত হননি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কমিটি তার অনুপস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং মন্তব্য জানিয়েছে যে, তার অংশগ্রহণ থাকলে অনেক বিষয় আরও পরিষ্কার হতো।

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও সরাসরি উপস্থিত না হয়ে লিখিত জবাব দিয়েছেন। তদন্তে মূল অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়েছে, কিন্তু কারো বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো অভিযোগ প্রতিবেদনেই করা হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলে তা যাচাই করা হয়েছে।

সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘আমরা কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করি নি। এটি জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি বা ফৌজদারি বিচার ছিল না। আমাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা।’

কমিটি বিসিবির ভবিষ্যৎ নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত ও সুষ্ঠু করার জন্য গাইডলাইন ও সুপারিশ দিয়েছে। সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের মধ্যে রয়েছে বিসিবির বর্তমান গঠনতন্ত্র সংশোধনের বিষয়।