ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
অপ্রত্যাশিত ব্যয় খাত ও থোক বরাদ্দ

১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 16

প্রতীকী

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা আসছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল চালু হবে, যার অতিরিক্ত ব্যয় মেটানো হবে অপ্রত্যাশিত ব্যয় খাত ও থোক বরাদ্দ থেকে।

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দীর্ঘদিন ধরে একই বেতন কাঠামো বহাল থাকার বিষয়টি বাজেট বক্তব্যে তুলে ধরা হবে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ভাতা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে নতুন পে স্কেল চালুর জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে আলাদা কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়নি। এ খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় অর্থ অপ্রত্যাশিত ব্যয় খাত ও বিভিন্ন থোক বরাদ্দ থেকে জোগান দেওয়া হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বেতনের জন্য ১৩ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা, কর্মচারীদের বেতনের জন্য ৩০ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাতার জন্য ৪৪ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে বেড়ে ৮৪ হাজার ৭৩৯ কোটিতে পৌঁছায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন পে স্কেল আংশিকভাবে বাস্তবায়ন হতে পারে। প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ কার্যকর করা হলেও পে কমিশনের সব সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম।

পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটি এখনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা সমন্বয় করে সংশোধিত সুপারিশ দেওয়া হতে পারে।

তবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অর্থের সংকট হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের মতে, সংরক্ষিত বরাদ্দ ব্যবহার করেই অতিরিক্ত ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অপ্রত্যাশিত ব্যয় খাত ও থোক বরাদ্দ

১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল চালু

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের ঘোষণা আসছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল চালু হবে, যার অতিরিক্ত ব্যয় মেটানো হবে অপ্রত্যাশিত ব্যয় খাত ও থোক বরাদ্দ থেকে।

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দীর্ঘদিন ধরে একই বেতন কাঠামো বহাল থাকার বিষয়টি বাজেট বক্তব্যে তুলে ধরা হবে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ভাতা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে নতুন পে স্কেল চালুর জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে আলাদা কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়নি। এ খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় অর্থ অপ্রত্যাশিত ব্যয় খাত ও বিভিন্ন থোক বরাদ্দ থেকে জোগান দেওয়া হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বেতনের জন্য ১৩ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা, কর্মচারীদের বেতনের জন্য ৩০ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাতার জন্য ৪৪ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে বেড়ে ৮৪ হাজার ৭৩৯ কোটিতে পৌঁছায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী অর্থবছরের শুরু থেকেই নতুন পে স্কেল আংশিকভাবে বাস্তবায়ন হতে পারে। প্রথম ধাপে মূল বেতন বৃদ্ধির একটি অংশ কার্যকর করা হলেও পে কমিশনের সব সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম।

পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটি এখনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা সমন্বয় করে সংশোধিত সুপারিশ দেওয়া হতে পারে।

তবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে অর্থের সংকট হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের মতে, সংরক্ষিত বরাদ্দ ব্যবহার করেই অতিরিক্ত ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে।