ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালী বন্ধ, ইউরোপে গ্যাসের দাম ৭৮৫ ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 140

হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণার পর ইউরোপের গ্যাসবাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে প্রতি হাজার ঘনমিটার ৭৮৫ ডলারে উঠেছে, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম লাফিয়ে বাড়ে।

লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে গ্যাসের দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। দিনের শেষ দিকে কিছুটা কমে ৭০০ ডলারে নেমে এলেও বাজারের অস্থিরতা কাটেনি।

পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জির ঘোষণা।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে তারা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এতে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ, ইউরোপে গ্যাসের দাম ৭৮৫ ডলার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণার পর ইউরোপের গ্যাসবাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়ে প্রতি হাজার ঘনমিটার ৭৮৫ ডলারে উঠেছে, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম লাফিয়ে বাড়ে।

লন্ডনের আইসিই এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক দিনের ব্যবধানে গ্যাসের দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। দিনের শেষ দিকে কিছুটা কমে ৭০০ ডলারে নেমে এলেও বাজারের অস্থিরতা কাটেনি।

পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জির ঘোষণা।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে তারা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এতে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।