ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 164

রামিসা হত্যাকাণ্ড ফরেনসিক রিপোর্ট

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের মামলায় ফরেনসিক ও ডিএনএ (DNA) রিপোর্টের মাধ্যমে গা শিউরে ওঠা তথ্য সামনে এসেছে। সিআইডির (CID) ল্যাব পরীক্ষায় এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, অবুজ শিশুটিকে নির্মমভাবে খুন করার পূর্বে তার ওপর পাশবিক ও জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছিল এবং প্রধান আসামি সোহেল রানাই এই জঘন্য অপরাধের হোতা।

শনিবার (২৩ মে) সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এই অকাট্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণাদি হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে দেশের আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পরপরই এই চাঞ্চল্যকর মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হবে।

পল্লবীর শিশু হত্যা মামলার তদন্তের জট এখন বিজ্ঞানের অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে পুরোপুরি খুলে গেছে, যা অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আসা দুটি ভিন্ন রিপোর্টই এখন পুলিশের হাতে।

মূলত রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ শিরোনামের এই চাঞ্চল্যকর মোড় মামলার আইনি ভিত্তিকে মজবুত করেছে। তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, সমস্ত ফরেনসিক রিপোর্টের ফলাফলই এখন প্রসিকিউশনের পক্ষে রয়েছে।

মেডিকেল বোর্ডের চূড়ান্ত ময়নাতদন্তের নথিতে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত ও নৃশংস কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ মেলার পাশাপাশি জানা গেছে যে, অবুজ শিশুটিকে জোরপূর্বক লাঞ্ছিত করার পর অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

এদিকে কারাবন্দী মূল ঘাতক সোহেল রানা গত বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া নিজের অপরাধ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দাবি করেছে যে, এই পৈশাতিক হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পূর্বে সে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা সেবন করেছিল।

দেশের সাধারণ মানুষ ও শিশু অধিকার রক্ষায় সোচ্চার সংগঠনগুলো যখন খুনি সোহেল রানার ফাঁসির দাবিতে রাজপথে সরব, তখন বিচার বিভাগ থেকেও একটি ইতিবাচক বার্তা এসেছে। বর্তমানে রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেছেন যে, এই স্পর্শকাতর মামলার ফাইলটি বিশেষ তদারকিতে রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের মামলায় ফরেনসিক ও ডিএনএ (DNA) রিপোর্টের মাধ্যমে গা শিউরে ওঠা তথ্য সামনে এসেছে। সিআইডির (CID) ল্যাব পরীক্ষায় এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, অবুজ শিশুটিকে নির্মমভাবে খুন করার পূর্বে তার ওপর পাশবিক ও জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছিল এবং প্রধান আসামি সোহেল রানাই এই জঘন্য অপরাধের হোতা।

শনিবার (২৩ মে) সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এই অকাট্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণাদি হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে দেশের আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পরপরই এই চাঞ্চল্যকর মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হবে।

পল্লবীর শিশু হত্যা মামলার তদন্তের জট এখন বিজ্ঞানের অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে পুরোপুরি খুলে গেছে, যা অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আসা দুটি ভিন্ন রিপোর্টই এখন পুলিশের হাতে।

মূলত রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ শিরোনামের এই চাঞ্চল্যকর মোড় মামলার আইনি ভিত্তিকে মজবুত করেছে। তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, সমস্ত ফরেনসিক রিপোর্টের ফলাফলই এখন প্রসিকিউশনের পক্ষে রয়েছে।

মেডিকেল বোর্ডের চূড়ান্ত ময়নাতদন্তের নথিতে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত ও নৃশংস কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ মেলার পাশাপাশি জানা গেছে যে, অবুজ শিশুটিকে জোরপূর্বক লাঞ্ছিত করার পর অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

এদিকে কারাবন্দী মূল ঘাতক সোহেল রানা গত বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া নিজের অপরাধ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দাবি করেছে যে, এই পৈশাতিক হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পূর্বে সে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা সেবন করেছিল।

দেশের সাধারণ মানুষ ও শিশু অধিকার রক্ষায় সোচ্চার সংগঠনগুলো যখন খুনি সোহেল রানার ফাঁসির দাবিতে রাজপথে সরব, তখন বিচার বিভাগ থেকেও একটি ইতিবাচক বার্তা এসেছে। বর্তমানে রামিসা ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেছেন যে, এই স্পর্শকাতর মামলার ফাইলটি বিশেষ তদারকিতে রয়েছে।