ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রক্তপাতহীন স্থানীয় ভোট আয়োজন বড় পরীক্ষা: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 49

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অতীতের সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, রক্তপাতহীন ও সংঘাতমুক্ত নির্বাচন আয়োজন এখন নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দলসহ সব অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অতীতে ব্যাপক সংঘাত, হতাহত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব বন্ধে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনের জন্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চালাবে বলেও জানান তিনি।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের নয়, বরং সবার জন্য নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই ইসির লক্ষ্য।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে তৃণমূলের গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই সরাসরি মানুষের সেবার সঙ্গে যুক্ত। তাই এ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়া জরুরি।

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সরকার নির্বাচন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার সহযোগিতা নিয়েই নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ইসি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন একটি বড় দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন সিইসি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রক্তপাতহীন স্থানীয় ভোট আয়োজন বড় পরীক্ষা: সিইসি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অতীতের সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, রক্তপাতহীন ও সংঘাতমুক্ত নির্বাচন আয়োজন এখন নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দলসহ সব অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অতীতে ব্যাপক সংঘাত, হতাহত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব বন্ধে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজনের জন্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চালাবে বলেও জানান তিনি।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের নয়, বরং সবার জন্য নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই ইসির লক্ষ্য।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে তৃণমূলের গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাই সরাসরি মানুষের সেবার সঙ্গে যুক্ত। তাই এ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়া জরুরি।

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সরকার নির্বাচন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার সহযোগিতা নিয়েই নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ইসি নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজন একটি বড় দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন সিইসি।