ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দরে বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 32

পাকস্থলীতে মিলল ৮০ ক্যাপসুল কোকেন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনব উপায়ে মাদক পাচারের সময় এক তানজানিয়ান নাগরিককে গ্রেফতার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আটককৃত ওই ব্যক্তির নাম আবুল নাসের বাকেরী জাহা। বুধবার (২০ মে) ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় নামার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে তল্লাশি করা হয়। গ্রিন চ্যানেলে কিছু না পেয়ে পরবর্তীতে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান করার পর তার পাকস্থলীতে কোকেনভর্তি ৮০টি বিশেষ ক্যাপসুলের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাদক চোরাকারবারি চক্রের আকাশপথ ব্যবহার করে ঢাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক সরবরাহের এক লোমহর্ষক ও অভিনব অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। শাহজালাল বিমানবন্দরকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে এই চক্রটি বাংলাদেশে হেরোইন বা কোকেনের মতো দামি মাদক ছড়ানোর ছক কষেছিল। মূলত বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ! শিরোনামের এই ঘটনাটি ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরপরই প্রকাশ পায়। শুল্ক গোয়েন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই এই রুটে নজরদারি বাড়াচ্ছিলেন।

ইথিওপিয়া থেকে আসা ওই আফ্রিকান নাগরিক বিমানবন্দরে নামার পর সাধারণ যাত্রীদের মতোই গ্রিন চ্যানেল পার হচ্ছিলেন। প্রথমে কাস্টমসের লাগেজ স্ক্যানিং এবং দেহ তল্লাশিতে কোনো অবৈধ জিনিস খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ! সংক্রান্ত মামলার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গোয়েন্দাদের জোরালো সন্দেহের পর তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান করা হয়। তখনই তার পাকস্থলীর ভেতর অদ্ভুত এই ক্যাপসুলগুলোর অস্তিত্ব ধরা পড়ে।

হাসপাতালের বেডে রেখে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার পেট থেকে একে একে সব কোকেনের প্যাকেট বের করার কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ! থাকার কথাটি ধৃত তানজানিয়ান নাগরিকও কর্মকর্তাদের কাছে করা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় এই চক্রের স্থানীয় এজেন্টদের খুঁজতে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরিশেষে বলা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি কতটা নিখুঁত হলে এমন শরীরী চোরাচালান ধরা সম্ভব, তা এই অভিযান প্রমাণ করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিমানবন্দরে বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনব উপায়ে মাদক পাচারের সময় এক তানজানিয়ান নাগরিককে গ্রেফতার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। আটককৃত ওই ব্যক্তির নাম আবুল নাসের বাকেরী জাহা। বুধবার (২০ মে) ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় নামার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে তল্লাশি করা হয়। গ্রিন চ্যানেলে কিছু না পেয়ে পরবর্তীতে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান করার পর তার পাকস্থলীতে কোকেনভর্তি ৮০টি বিশেষ ক্যাপসুলের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাদক চোরাকারবারি চক্রের আকাশপথ ব্যবহার করে ঢাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক সরবরাহের এক লোমহর্ষক ও অভিনব অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা। শাহজালাল বিমানবন্দরকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে এই চক্রটি বাংলাদেশে হেরোইন বা কোকেনের মতো দামি মাদক ছড়ানোর ছক কষেছিল। মূলত বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ! শিরোনামের এই ঘটনাটি ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরপরই প্রকাশ পায়। শুল্ক গোয়েন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই এই রুটে নজরদারি বাড়াচ্ছিলেন।

ইথিওপিয়া থেকে আসা ওই আফ্রিকান নাগরিক বিমানবন্দরে নামার পর সাধারণ যাত্রীদের মতোই গ্রিন চ্যানেল পার হচ্ছিলেন। প্রথমে কাস্টমসের লাগেজ স্ক্যানিং এবং দেহ তল্লাশিতে কোনো অবৈধ জিনিস খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ! সংক্রান্ত মামলার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গোয়েন্দাদের জোরালো সন্দেহের পর তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান করা হয়। তখনই তার পাকস্থলীর ভেতর অদ্ভুত এই ক্যাপসুলগুলোর অস্তিত্ব ধরা পড়ে।

হাসপাতালের বেডে রেখে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তার পেট থেকে একে একে সব কোকেনের প্যাকেট বের করার কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে বিদেশির পেটে ৮০ ক্যাপসুল কোকেন জব্দ! থাকার কথাটি ধৃত তানজানিয়ান নাগরিকও কর্মকর্তাদের কাছে করা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় এই চক্রের স্থানীয় এজেন্টদের খুঁজতে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরিশেষে বলা যায়, শাহজালাল বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি কতটা নিখুঁত হলে এমন শরীরী চোরাচালান ধরা সম্ভব, তা এই অভিযান প্রমাণ করে।