ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 38

দেশের বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন সার্ভিস রুলস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত এই বিধিমালায় ন্যূনতম বেতন, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, ছুটি, নিয়োগপত্র, চাকরির স্থায়িত্ব, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। গত ১০ মে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে।

নতুন এই উদ্যোগের আওতায় ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-২০১৫’-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা নতুন ধারা যুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ লক্ষ্যে অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো ইচ্ছেমতো কর্মী ছাঁটাই, ছুটি না দেওয়া কিংবা সার্ভিস বেনিফিট বঞ্চনার মতো অভিযোগে সমালোচিত। নতুন বিধিমালার মাধ্যমে এসব বিষয়ে স্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করতে চায় সরকার।

এছাড়া উবার, পাঠাও, ফুডপান্ডার মতো অ্যাপভিত্তিক ও গিগ অর্থনীতির কর্মীদের জন্যও আলাদা নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় এসেছে। বর্তমানে এই খাতের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সার্ভিস রুলস নেই।

বিবিএসের শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট কর্মজীবী মানুষের বড় অংশই বেসরকারি খাতে কাজ করছেন। তাই নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে লাখো চাকরিজীবী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

দেশের বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন সার্ভিস রুলস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত এই বিধিমালায় ন্যূনতম বেতন, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা, ছুটি, নিয়োগপত্র, চাকরির স্থায়িত্ব, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। গত ১০ মে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে।

নতুন এই উদ্যোগের আওতায় ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-২০১৫’-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা নতুন ধারা যুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। এ লক্ষ্যে অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো ইচ্ছেমতো কর্মী ছাঁটাই, ছুটি না দেওয়া কিংবা সার্ভিস বেনিফিট বঞ্চনার মতো অভিযোগে সমালোচিত। নতুন বিধিমালার মাধ্যমে এসব বিষয়ে স্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করতে চায় সরকার।

এছাড়া উবার, পাঠাও, ফুডপান্ডার মতো অ্যাপভিত্তিক ও গিগ অর্থনীতির কর্মীদের জন্যও আলাদা নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় এসেছে। বর্তমানে এই খাতের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সার্ভিস রুলস নেই।

বিবিএসের শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট কর্মজীবী মানুষের বড় অংশই বেসরকারি খাতে কাজ করছেন। তাই নতুন এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে লাখো চাকরিজীবী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।