মাদক ব্যবসা নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত এক
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / 14
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেঙ্গুর (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ুইকুড়ি (মরার চর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত টেঙ্গুর ওই গ্রামের মৃত দৈয়ব মণ্ডলের ছেলে।
আহতরা হলেন সুমন মিয়া (৫০), হাদু মণ্ডল (৭০), রাশিদুল (৩৫), ফটিক (৫৫), বজলু (৫৫), আজাদ মণ্ডল (৬০) ও রাজু মণ্ডল (৩০)। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত টেঙ্গুরের বড় ভাই পটল রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজাহার মেম্বার বর্তমান সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। স্থানীয় রাজনীতিতে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, দুই থেকে তিন দিন আগে ভারত থেকে আসা মাদককে কেন্দ্র করে আজাহার মেম্বারের অনুসারীদের সঙ্গে পটলের বিরোধ শুরু হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা বাগ্বিতণ্ডা, উত্তেজনা ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে পটলের ছোট ভাই টেঙ্গুর সড়কির আঘাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। স্থানীয়দের দাবি, সড়কির আঘাতে তার পেটে গুরুতর জখম হয়।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরে বাগ্বিতণ্ডা ও উত্তেজনা চলছিল। বৃহস্পতিবার তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ভারত থেকে আসা মাদক বা পাতার বিড়িকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হতে পারে বলে তিনি জানান।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।




























