ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, কমেছে আয়ের প্রবৃদ্ধি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 22

বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, কমেছে আয়ের প্রবৃদ্ধি

দেশে আবারও বেড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতি। একই সময়ে কমেছে মজুরি বৃদ্ধির হার। ফলে সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়লেও আয়ের প্রবৃদ্ধি কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগস্টে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ।

মূলত খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণেই সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সেপ্টেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ও মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। আগস্টে এ হার ছিল ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে নেমেছে, যা আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গ্রামীণ এলাকায় সেপ্টেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ হয়েছে। আগস্টে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ সময়ে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ হয়েছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে নেমেছে।

শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও সেপ্টেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে। বিবিএসের মজুরি হার সূচক (ডব্লিউআরআই) অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ।

খাতভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে কৃষিতে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, শিল্পে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ।

বিবিএস জানিয়েছে, দেশের ৬৪টি জেলার ১৪৩টি হাট-বাজার থেকে সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এসব পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, কমেছে আয়ের প্রবৃদ্ধি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দেশে আবারও বেড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতি। একই সময়ে কমেছে মজুরি বৃদ্ধির হার। ফলে সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়লেও আয়ের প্রবৃদ্ধি কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগস্টে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ।

মূলত খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণেই সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সেপ্টেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ও মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে বিবিএস।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। আগস্টে এ হার ছিল ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে নেমেছে, যা আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গ্রামীণ এলাকায় সেপ্টেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ হয়েছে। আগস্টে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ সময়ে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ হয়েছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে নেমেছে।

শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শহরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও সেপ্টেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে। বিবিএসের মজুরি হার সূচক (ডব্লিউআরআই) অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ।

খাতভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে কৃষিতে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ, শিল্পে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ।

বিবিএস জানিয়েছে, দেশের ৬৪টি জেলার ১৪৩টি হাট-বাজার থেকে সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এসব পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে।