ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আপিল বিভাগ

বাচ্চু রাজাকারের আপিল শুনানি অবকাশকালীন ছুটির পর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 15

বাচ্চু রাজাকার

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের আপিল গ্রহণযোগ্য হবে কি না, সে বিষয়ে শুনানি অবকাশকালীন ছুটির পর অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ বিষয়ে দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করতে চিফ প্রসিকিউটরকে সতর্ক করেছেন আদালত।

পরে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল বিভাগে অবকাশকালীন ছুটি থাকবে। ছুটি শেষে আদালতের কার্যক্রম শুরুর চার সপ্তাহ পর আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আপিলে বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডের রায় স্থগিতের আবেদন করেছেন আবুল কালাম আযাদ।

২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি পলাতক অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় তাকে এ সাজা দেওয়া হয়। স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিই ছিল প্রথম রায়।

বেসরকারি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলামবিষয়ক অনুষ্ঠান করে পরিচিতি পাওয়া আবুল কালাম আযাদ রায়ের পর দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করার শর্তে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের আবেদন করেন তিনি।

এর ধারাবাহিকতায় আপিলের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ নির্দেশ দেন। পরে আবুল কালাম আযাদ আপিল করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপিল বিভাগ

বাচ্চু রাজাকারের আপিল শুনানি অবকাশকালীন ছুটির পর

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের আপিল গ্রহণযোগ্য হবে কি না, সে বিষয়ে শুনানি অবকাশকালীন ছুটির পর অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ বিষয়ে দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করতে চিফ প্রসিকিউটরকে সতর্ক করেছেন আদালত।

পরে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল বিভাগে অবকাশকালীন ছুটি থাকবে। ছুটি শেষে আদালতের কার্যক্রম শুরুর চার সপ্তাহ পর আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আপিলে বিলম্ব মার্জনার পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডের রায় স্থগিতের আবেদন করেছেন আবুল কালাম আযাদ।

২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি পলাতক অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় তাকে এ সাজা দেওয়া হয়। স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিই ছিল প্রথম রায়।

বেসরকারি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলামবিষয়ক অনুষ্ঠান করে পরিচিতি পাওয়া আবুল কালাম আযাদ রায়ের পর দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করার শর্তে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের আবেদন করেন তিনি।

এর ধারাবাহিকতায় আপিলের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ নির্দেশ দেন। পরে আবুল কালাম আযাদ আপিল করেন।