ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে বহু ভবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 27

৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ফিলিপাইনে ধ্বংসলীলা, ধসে পড়েছে বহু ভবন

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এক অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্র কম্পনে কেঁপে উঠেছে পুরো অঞ্চল, যার ফলে ধসে পড়েছে বহু বহুতল ভবন। আকস্মিক এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া চারজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এই শক্তিশালী ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের প্রলয়ংকরী রূপের কারণে বিভিন্ন শহরের রাস্তাঘাটে বড় বড় ও ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি থাকা জেনারেল সান্তোস সিটি থেকেই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। সরকারি বার্তা সংস্থা ফিলিপাইন ইনফরমেশন এজেন্সির প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, শহরের বড় বড় নামী ভবন ও বহুতল বিপণিবিতানগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরও কিছু ভিডিওতে ফিলিপাইনের অত্যন্ত জনপ্রিয় ফাস্ট ফুড চেইন ‘জলিবির’ অন্তত দুটি শাখা হুড়মুড় করে ভেঙে প্রধান সড়কের ওপর ধসে পড়তে দেখা যায়। কম্পন শুরুর সাথে সাথে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষকে জীবন বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটোছুটি করতে দেখা গেছে।

জেনারেল সান্তোস শহরের মাস্টার সার্জেন্ট রবার্ট ডাগন জানান, তীব্র ঝাঁকুনিতে বেশ কয়েকটি বড় ভবন ধসে পড়েছে। তবে এই মুহূর্তে উদ্ধারকর্মীরা মাঠপর্যায়ে উদ্ধারকাজ নিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকায় ঠিক কতগুলো ভবন পুরোপুরি বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। ধসে পড়া সেসব ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কোনো মানুষ জীবিত বা মৃত অবস্থায় টকে আছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।

ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে ফিলিপাইন রেড ক্রস। ইতিমধ্যেই রেড ক্রসের একাধিক বিশেষ উদ্ধারকারী দল উপদ্রুত এলাকায় নেমে কাজ শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে, বড় ধরণের জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা থাকায় উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমুদ্রসৈকত থেকে নিরাপদ দূরত্বে এবং উঁচু স্থানে অবস্থান করার জন্য জরুরি পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে বহু ভবন

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এক অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্র কম্পনে কেঁপে উঠেছে পুরো অঞ্চল, যার ফলে ধসে পড়েছে বহু বহুতল ভবন। আকস্মিক এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া চারজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এই শক্তিশালী ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের প্রলয়ংকরী রূপের কারণে বিভিন্ন শহরের রাস্তাঘাটে বড় বড় ও ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি থাকা জেনারেল সান্তোস সিটি থেকেই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। সরকারি বার্তা সংস্থা ফিলিপাইন ইনফরমেশন এজেন্সির প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, শহরের বড় বড় নামী ভবন ও বহুতল বিপণিবিতানগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরও কিছু ভিডিওতে ফিলিপাইনের অত্যন্ত জনপ্রিয় ফাস্ট ফুড চেইন ‘জলিবির’ অন্তত দুটি শাখা হুড়মুড় করে ভেঙে প্রধান সড়কের ওপর ধসে পড়তে দেখা যায়। কম্পন শুরুর সাথে সাথে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষকে জীবন বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটোছুটি করতে দেখা গেছে।

জেনারেল সান্তোস শহরের মাস্টার সার্জেন্ট রবার্ট ডাগন জানান, তীব্র ঝাঁকুনিতে বেশ কয়েকটি বড় ভবন ধসে পড়েছে। তবে এই মুহূর্তে উদ্ধারকর্মীরা মাঠপর্যায়ে উদ্ধারকাজ নিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকায় ঠিক কতগুলো ভবন পুরোপুরি বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। ধসে পড়া সেসব ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কোনো মানুষ জীবিত বা মৃত অবস্থায় টকে আছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।

ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে ফিলিপাইন রেড ক্রস। ইতিমধ্যেই রেড ক্রসের একাধিক বিশেষ উদ্ধারকারী দল উপদ্রুত এলাকায় নেমে কাজ শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে, বড় ধরণের জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা থাকায় উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমুদ্রসৈকত থেকে নিরাপদ দূরত্বে এবং উঁচু স্থানে অবস্থান করার জন্য জরুরি পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।