ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 27

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১২ মে) এক নির্দেশনায় জানানো হয়, সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অমান্যকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কতিপয় শিক্ষক সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নেতিবাচক পোস্ট বা আপত্তিকর মন্তব্য শেয়ার করছেন। মূলত প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষা করা। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ মেনে চলা প্রতিটি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি করা সরকারি চাকরি বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা অমান্য করাকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন এসব নেতিবাচক পোস্টদাতাদের দ্রুত চিহ্নিত করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারি চাকরি বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অপপ্রচার চালানো একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা জারির ফলে শিক্ষকদের অনলাইন কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। মূলত শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পরিশেষে বলা যায়, এই নির্দেশনার ফলে প্রাথমিক শিক্ষা খাতের প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে দায়বদ্ধতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১২ মে) এক নির্দেশনায় জানানো হয়, সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অমান্যকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কতিপয় শিক্ষক সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নেতিবাচক পোস্ট বা আপত্তিকর মন্তব্য শেয়ার করছেন। মূলত প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষা করা। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ মেনে চলা প্রতিটি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি করা সরকারি চাকরি বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা অমান্য করাকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন এসব নেতিবাচক পোস্টদাতাদের দ্রুত চিহ্নিত করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরকারি চাকরি বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অপপ্রচার চালানো একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকদের সামাজিক মাধ্যমে সতর্কবার্তা জারির ফলে শিক্ষকদের অনলাইন কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। মূলত শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। পরিশেষে বলা যায়, এই নির্দেশনার ফলে প্রাথমিক শিক্ষা খাতের প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে দায়বদ্ধতা আরও বৃদ্ধি পাবে।