ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 33

আগামী জুলাই থেকে দেশের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডিজিটাল লেনদেনকে সহজ, দ্রুত ও এক প্ল্যাটফর্মে আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ ও এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য ৪২৫ কোটি টাকার নতুন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিল ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, ছোট দোকান থেকে বড় শপিংমল—সব জায়গায় একই বাংলা কিউআর ব্যবহার করে পেমেন্ট করা যাবে। ফলে বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা যেকোনো ব্যাংক অ্যাপ থেকে সহজেই ক্যাশলেস লেনদেন সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের অংশগ্রহণে ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর মুনাফার ১ শতাংশ থেকে এ অর্থ এসেছে। শুধু প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ নয়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও এ সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন বিএসআইসি চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন।

গভর্নর আরও জানান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন দেবে।

বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় বিক্রেতার একটি কিউআর কোডই যথেষ্ট হবে। ক্রেতা স্ক্যান করে পেমেন্ট করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন যাবে এবং লেনদেনের হিসাব সংরক্ষিত থাকবে।

ব্যাংকে সেভিংস, কারেন্ট বা এসএনডি হিসাব থাকলেই বাংলা কিউআর নেওয়া যাবে। আবেদন জমা দেওয়ার ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই কিউআর কোড প্রস্তুত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আগামী জুলাই থেকে দেশের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডিজিটাল লেনদেনকে সহজ, দ্রুত ও এক প্ল্যাটফর্মে আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ ও এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য ৪২৫ কোটি টাকার নতুন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল তহবিল ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, ছোট দোকান থেকে বড় শপিংমল—সব জায়গায় একই বাংলা কিউআর ব্যবহার করে পেমেন্ট করা যাবে। ফলে বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা যেকোনো ব্যাংক অ্যাপ থেকে সহজেই ক্যাশলেস লেনদেন সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের অংশগ্রহণে ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর মুনাফার ১ শতাংশ থেকে এ অর্থ এসেছে। শুধু প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ নয়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও এ সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন বিএসআইসি চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন।

গভর্নর আরও জানান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন দেবে।

বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় বিক্রেতার একটি কিউআর কোডই যথেষ্ট হবে। ক্রেতা স্ক্যান করে পেমেন্ট করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন যাবে এবং লেনদেনের হিসাব সংরক্ষিত থাকবে।

ব্যাংকে সেভিংস, কারেন্ট বা এসএনডি হিসাব থাকলেই বাংলা কিউআর নেওয়া যাবে। আবেদন জমা দেওয়ার ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই কিউআর কোড প্রস্তুত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।