ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি পুনর্বিবেচনায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 29

বাণিজ্য চুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের পথে যাচ্ছে না সরকার। তবে চুক্তির বিতর্কিত ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে হওয়া ধারাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চুক্তি বাতিলের সুযোগ থাকলেও সেটি সবসময় বাস্তবসম্মত বা লাভজনক নাও হতে পারে। বরং সরকারের পক্ষ থেকে আগে পুরো বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে। কোন কোন ধারা দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, সেগুলো চিহ্নিত করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ডা. জাহেদ বলেন, কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে আইনগত বাধ্যবাধকতা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব—সব দিক বিবেচনায় নিতে হয়। হঠাৎ চুক্তি বাতিল করলে পারস্পরিক শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা বা কূটনৈতিক চাপও তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও জানান, আগের সরকারগুলোর করা বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকও বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করবে। যেগুলো জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী বলে মনে হবে, সেগুলো নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। তবে সব চুক্তি থেকে সহজে বের হওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি পুনর্বিবেচনায় সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের পথে যাচ্ছে না সরকার। তবে চুক্তির বিতর্কিত ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে হওয়া ধারাগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চুক্তি বাতিলের সুযোগ থাকলেও সেটি সবসময় বাস্তবসম্মত বা লাভজনক নাও হতে পারে। বরং সরকারের পক্ষ থেকে আগে পুরো বিষয়টি মূল্যায়ন করা হবে। কোন কোন ধারা দেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, সেগুলো চিহ্নিত করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ডা. জাহেদ বলেন, কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে আইনগত বাধ্যবাধকতা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব—সব দিক বিবেচনায় নিতে হয়। হঠাৎ চুক্তি বাতিল করলে পারস্পরিক শুল্কসংক্রান্ত জটিলতা বা কূটনৈতিক চাপও তৈরি হতে পারে।

তিনি আরও জানান, আগের সরকারগুলোর করা বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকও বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করবে। যেগুলো জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী বলে মনে হবে, সেগুলো নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। তবে সব চুক্তি থেকে সহজে বের হওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।