ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে ভয়াবহ বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / 161

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর পাকিস্তানজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় করাচিতে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ১০ জন প্রাণ হারান। সেখানে বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দিয়ে কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় প্রায় ৯৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর স্কারদুতেও, যেখানে অন্তত ১১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে বিক্ষুব্ধ জনতা জাতিসংঘের একটি কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

ইসলামাবাদেও হাজার হাজার মানুষ উচ্চ নিরাপত্তা বেষ্টিত ‘রেড জোন’-এর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে, যাতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া লাহোর ও পেশোয়ারের মতো বড় শহরগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাঞ্জাব সরকার ও ইসলামাবাদ প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাকিস্তানে ভয়াবহ বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ২৩

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর পাকিস্তানজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় করাচিতে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ১০ জন প্রাণ হারান। সেখানে বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দিয়ে কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় প্রায় ৯৬ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর স্কারদুতেও, যেখানে অন্তত ১১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে বিক্ষুব্ধ জনতা জাতিসংঘের একটি কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

ইসলামাবাদেও হাজার হাজার মানুষ উচ্চ নিরাপত্তা বেষ্টিত ‘রেড জোন’-এর দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে, যাতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

এছাড়া লাহোর ও পেশোয়ারের মতো বড় শহরগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাঞ্জাব সরকার ও ইসলামাবাদ প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।