নাগরিক সমাজের ১৪ দফা ইশতেহার প্রার্থীদের কাছে হস্তান্তর
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 186
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের কাছে ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর’ নিশ্চিত করার রাজনৈতিক অঙ্গীকার চেয়েছে নাগরিক সমাজ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান চালানো হয়।
দেশের আটটি বিভাগে জেটনেট-বিডির শতাধিক সদস্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা ১০০টি সংসদীয় আসনে প্রায় ৩০০ জন প্রার্থী ও জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে ‘জ্বালানির জন-মালিকানা: বাংলাদেশের ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর’ শীর্ষক ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার হস্তান্তর করেন এবং লিখিত সংহতি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।
জেটনেট-বিডি ও একশনএইড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে জ্বালানি নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রতিফলন ঘটানো। বিশেষভাবে জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ জনগোষ্ঠীর দাবিকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। ইশতেহারে জ্বালানি খাতে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্বালানি রূপান্তরের দাবি জানানো হয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ন্যায্য ও জনগণকেন্দ্রিক রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। জেটনেট-বিডি ও একশনএইড বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, প্রার্থীদের লিখিত সংহতি ভবিষ্যতে তাদের সংসদীয় ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
উল্লেখ্য, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) সারা দেশের ১৫৫টি নাগরিক সংগঠনের একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম, যার সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে একশনএইড বাংলাদেশ।


































