ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিক সমাজের ১৪ দফা ইশতেহার প্রার্থীদের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 186

নাগরিক সমাজের ১৪ দফা ইশতেহার প্রার্থীদের কাছে হস্তান্তর। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের কাছে ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর’ নিশ্চিত করার রাজনৈতিক অঙ্গীকার চেয়েছে নাগরিক সমাজ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান চালানো হয়।

দেশের আটটি বিভাগে জেটনেট-বিডির শতাধিক সদস্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা ১০০টি সংসদীয় আসনে প্রায় ৩০০ জন প্রার্থী ও জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে ‘জ্বালানির জন-মালিকানা: বাংলাদেশের ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর’ শীর্ষক ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার হস্তান্তর করেন এবং লিখিত সংহতি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।

জেটনেট-বিডি ও একশনএইড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে জ্বালানি নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রতিফলন ঘটানো। বিশেষভাবে জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ জনগোষ্ঠীর দাবিকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। ইশতেহারে জ্বালানি খাতে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্বালানি রূপান্তরের দাবি জানানো হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ন্যায্য ও জনগণকেন্দ্রিক রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। জেটনেট-বিডি ও একশনএইড বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, প্রার্থীদের লিখিত সংহতি ভবিষ্যতে তাদের সংসদীয় ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) সারা দেশের ১৫৫টি নাগরিক সংগঠনের একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম, যার সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে একশনএইড বাংলাদেশ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নাগরিক সমাজের ১৪ দফা ইশতেহার প্রার্থীদের কাছে হস্তান্তর

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের কাছে ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর’ নিশ্চিত করার রাজনৈতিক অঙ্গীকার চেয়েছে নাগরিক সমাজ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান চালানো হয়।

দেশের আটটি বিভাগে জেটনেট-বিডির শতাধিক সদস্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা ১০০টি সংসদীয় আসনে প্রায় ৩০০ জন প্রার্থী ও জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে ‘জ্বালানির জন-মালিকানা: বাংলাদেশের ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর’ শীর্ষক ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার হস্তান্তর করেন এবং লিখিত সংহতি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।

জেটনেট-বিডি ও একশনএইড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রচারণার মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে জ্বালানি নিরাপত্তা ও ন্যায্যতার প্রতিফলন ঘটানো। বিশেষভাবে জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ জনগোষ্ঠীর দাবিকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ১৪ দফা নাগরিক ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। ইশতেহারে জ্বালানি খাতে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্বালানি রূপান্তরের দাবি জানানো হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ন্যায্য ও জনগণকেন্দ্রিক রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। জেটনেট-বিডি ও একশনএইড বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, প্রার্থীদের লিখিত সংহতি ভবিষ্যতে তাদের সংসদীয় ও নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) সারা দেশের ১৫৫টি নাগরিক সংগঠনের একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম, যার সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে একশনএইড বাংলাদেশ।