ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দৌলতদিয়া দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে আগাম প্রস্তুতিতে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • / 82

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। তিনি বলেন, পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা কার্যকর থাকায় যাত্রীরা সময়মতো বাস থেকে নেমে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো স্পষ্ট গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন, তবে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, বাসটি নির্ধারিত ফেরিতে ওঠার পরিবর্তে পাশের ফেরিঘাটের ঢালায় দ্রুতগতিতে ধাক্কা দেয়। এতে ঢালাটি ভেঙে যানটি নদীতে পড়ে যায়। তবে যাত্রীদের আগেই বাস থেকে নামিয়ে নেওয়ার সরকারি নির্দেশনা মানা হওয়ায় সবাই নিরাপদে ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত তৎপরতা ও আগাম প্রস্তুতির কারণেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, চালক, হেলপার এবং বাসটির কারিগরি অবস্থা—সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা হবে। দুর্ঘটনার সময় তারা সুস্থ হলে তাদের বক্তব্য নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দৌলতদিয়া দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে আগাম প্রস্তুতিতে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। তিনি বলেন, পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা কার্যকর থাকায় যাত্রীরা সময়মতো বাস থেকে নেমে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো স্পষ্ট গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন, তবে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, বাসটি নির্ধারিত ফেরিতে ওঠার পরিবর্তে পাশের ফেরিঘাটের ঢালায় দ্রুতগতিতে ধাক্কা দেয়। এতে ঢালাটি ভেঙে যানটি নদীতে পড়ে যায়। তবে যাত্রীদের আগেই বাস থেকে নামিয়ে নেওয়ার সরকারি নির্দেশনা মানা হওয়ায় সবাই নিরাপদে ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত তৎপরতা ও আগাম প্রস্তুতির কারণেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, চালক, হেলপার এবং বাসটির কারিগরি অবস্থা—সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা হবে। দুর্ঘটনার সময় তারা সুস্থ হলে তাদের বক্তব্য নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।