ঢাকা ০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান’: পাটওয়ারী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14

নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান’: পাটওয়ারী

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে এলাকায় এলাকায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, একজন শ্রমজীবী মানুষ সারাদিন রোদে পুড়ে ৫০০ টাকা উপার্জন করেন। এই অর্থ দিয়েই তার সন্তানের দুধ, স্কুলের খাতা কিংবা বৃদ্ধ বাবার ওষুধের মতো প্রয়োজন মেটাতে হয়। সেখান থেকে ২০০-৩০০ টাকা চাঁদা হিসেবে নিয়ে গেলে শুধু অর্থই হারায় না, ওই পরিবারের কোনো একটি প্রয়োজনও অপূর্ণ থেকে যায়।

পাটওয়ারী লেখেন, অনেকের কাছে ৫০০ টাকা সামান্য মনে হলেও সারাদিনের শ্রমের বিনিময়ে পাওয়া এই অর্থ একজন শ্রমজীবী মানুষের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তার ভাষায়, ওই টাকার মূল্য তার কাছে হাজার কোটি টাকার সমান।

তিনি আরও বলেন, দোকান বসাতে, ব্যবসা করতে, গাড়ি চালাতে কিংবা বাড়ি নির্মাণ করতেও চাঁদা দিতে হয়। রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা দেখিয়ে যখন এসব অর্থ আদায় করা হয়, তখন মানুষের অপমান আরও গভীর হয়। চাঁদাবাজির অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছেও পৌঁছে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পাটওয়ারীর ভাষ্য, চাঁদাবাজি শুধু মানুষের টাকা কেড়ে নেয় না; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের ঘাম, সন্তানের ভবিষ্যৎ ও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার।

নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এলাকায় এলাকায় চাঁদাবাজবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একজন বাবা যেন নিজের শ্রমে উপার্জিত ৫০০ টাকা নিরাপদে সন্তানের জন্য ঘরে নিয়ে যেতে পারেন; দেশ তখনই সত্যিকার অর্থে বাঁচবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান’: পাটওয়ারী

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে এলাকায় এলাকায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, একজন শ্রমজীবী মানুষ সারাদিন রোদে পুড়ে ৫০০ টাকা উপার্জন করেন। এই অর্থ দিয়েই তার সন্তানের দুধ, স্কুলের খাতা কিংবা বৃদ্ধ বাবার ওষুধের মতো প্রয়োজন মেটাতে হয়। সেখান থেকে ২০০-৩০০ টাকা চাঁদা হিসেবে নিয়ে গেলে শুধু অর্থই হারায় না, ওই পরিবারের কোনো একটি প্রয়োজনও অপূর্ণ থেকে যায়।

পাটওয়ারী লেখেন, অনেকের কাছে ৫০০ টাকা সামান্য মনে হলেও সারাদিনের শ্রমের বিনিময়ে পাওয়া এই অর্থ একজন শ্রমজীবী মানুষের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তার ভাষায়, ওই টাকার মূল্য তার কাছে হাজার কোটি টাকার সমান।

তিনি আরও বলেন, দোকান বসাতে, ব্যবসা করতে, গাড়ি চালাতে কিংবা বাড়ি নির্মাণ করতেও চাঁদা দিতে হয়। রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা দেখিয়ে যখন এসব অর্থ আদায় করা হয়, তখন মানুষের অপমান আরও গভীর হয়। চাঁদাবাজির অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছেও পৌঁছে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পাটওয়ারীর ভাষ্য, চাঁদাবাজি শুধু মানুষের টাকা কেড়ে নেয় না; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের ঘাম, সন্তানের ভবিষ্যৎ ও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার।

নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এলাকায় এলাকায় চাঁদাবাজবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একজন বাবা যেন নিজের শ্রমে উপার্জিত ৫০০ টাকা নিরাপদে সন্তানের জন্য ঘরে নিয়ে যেতে পারেন; দেশ তখনই সত্যিকার অর্থে বাঁচবে।