ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশীয় অর্থায়নে তিস্তা মেগা প্রকল্প: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 122

তিস্তা ব্যারেজ। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে এবং এটি দেশীয় অর্থায়নেই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

শুক্রবার (লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা) তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে এই মহাপরিকল্পনা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। তাঁর মতে, পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ ও ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও বন্যা ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। কাজটি সম্পন্ন হতে কয়েক বছর সময় লাগলেও এর সুফল শুধু স্থানীয় অঞ্চল নয়, জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পটির প্রাথমিক সমীক্ষা শেষ হয়েছে এবং একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এর নকশা চূড়ান্ত করছে। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী তিস্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রকল্পের কারিগরি দিক নিয়ে বৈঠক করেন।

পরে তিনি উল্লেখ করেন, নদী শাসনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখার স্থায়ী ব্যবস্থাও এই প্রকল্পে যুক্ত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দেশীয় অর্থায়নে তিস্তা মেগা প্রকল্প: পানিসম্পদমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

তিস্তা মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে এবং এটি দেশীয় অর্থায়নেই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

শুক্রবার (লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা) তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে এই মহাপরিকল্পনা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। তাঁর মতে, পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ ও ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের নদীভাঙন ও বন্যা ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। কাজটি সম্পন্ন হতে কয়েক বছর সময় লাগলেও এর সুফল শুধু স্থানীয় অঞ্চল নয়, জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পটির প্রাথমিক সমীক্ষা শেষ হয়েছে এবং একটি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী দল এর নকশা চূড়ান্ত করছে। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী তিস্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। এর আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রকল্পের কারিগরি দিক নিয়ে বৈঠক করেন।

পরে তিনি উল্লেখ করেন, নদী শাসনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখার স্থায়ী ব্যবস্থাও এই প্রকল্পে যুক্ত থাকবে।