ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তামাক কর বৃদ্ধির দাবিতে নারী সংগঠনগুলোর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 221

আগামী বাজেটে তামাকপণ্যের দাম ও কর কার্যকরভাবে বাড়ানোর দাবি জানিয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলার নারী সংগঠনগুলো। জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও তরুণদের তামাক থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) দেশের ৫০টি নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠন যৌথভাবে এই স্মারকলিপি জমা দেয়। তাবিনাজ ও উবিনীগের সমন্বয়ে স্মারকলিপিগুলো অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয় এবং অনুলিপি দেওয়া হয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে।

তাদের মতে, বর্তমান বহুধাপ কর কাঠামো তামাক ব্যবহার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। বরং সহজলভ্যতার কারণে তরুণ ও নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ব্যবহার বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, দেশে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালে প্রাণ হারান।

প্রস্তাবিত কাঠামোতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার দাম কমপক্ষে ১০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণের পাশাপাশি প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা নির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া বিড়ি, জর্দা ও গুলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়। সংগঠনগুলোর দাবি, শক্তিশালী কর নীতি বাস্তবায়ন হলে তামাক ব্যবহার কমবে এবং রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে সিগারেট খাত থেকেই প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আসতে পারে। পাশাপাশি লক্ষাধিক মানুষ ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং বহু তরুণ নতুন করে আসক্তি থেকে বাঁচবে।

নারী সংগঠনগুলোর নেতারা মনে করেন, কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া তামাকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব নয়। তাই আগামী বাজেটে জনস্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে কঠোর কর নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তামাক কর বৃদ্ধির দাবিতে নারী সংগঠনগুলোর স্মারকলিপি

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

আগামী বাজেটে তামাকপণ্যের দাম ও কর কার্যকরভাবে বাড়ানোর দাবি জানিয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলার নারী সংগঠনগুলো। জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও তরুণদের তামাক থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) দেশের ৫০টি নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠন যৌথভাবে এই স্মারকলিপি জমা দেয়। তাবিনাজ ও উবিনীগের সমন্বয়ে স্মারকলিপিগুলো অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয় এবং অনুলিপি দেওয়া হয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে।

তাদের মতে, বর্তমান বহুধাপ কর কাঠামো তামাক ব্যবহার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। বরং সহজলভ্যতার কারণে তরুণ ও নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ব্যবহার বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, দেশে প্রতি বছর প্রায় দুই লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালে প্রাণ হারান।

প্রস্তাবিত কাঠামোতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার দাম কমপক্ষে ১০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণের পাশাপাশি প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা নির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া বিড়ি, জর্দা ও গুলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়। সংগঠনগুলোর দাবি, শক্তিশালী কর নীতি বাস্তবায়ন হলে তামাক ব্যবহার কমবে এবং রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে সিগারেট খাত থেকেই প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আসতে পারে। পাশাপাশি লক্ষাধিক মানুষ ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং বহু তরুণ নতুন করে আসক্তি থেকে বাঁচবে।

নারী সংগঠনগুলোর নেতারা মনে করেন, কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া তামাকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব নয়। তাই আগামী বাজেটে জনস্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে কঠোর কর নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।