ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জুলাই-আগস্টেই ভয়ানক ডেঙ্গু ঝুঁকি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 4

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সম্ভাব্য রোগীর চাপ সামাল দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

তিনি জানান, দেশের থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু শনাক্তের এনএসওয়ান (NS1) পরীক্ষার কিট পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা এবং অন্যান্য বড় শহরের হাসপাতালগুলোতেও বিশেষ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে অতিরিক্ত চিকিৎসা-সুবিধাও চালু করা হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু হাসপাতালের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে স্থানীয় পর্যায়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং মসজিদের ইমামদেরও মানুষকে সচেতন করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা গেলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণই হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘জুলাই-আগস্টেই ভয়ানক ডেঙ্গু ঝুঁকি’

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সম্ভাব্য রোগীর চাপ সামাল দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

তিনি জানান, দেশের থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু শনাক্তের এনএসওয়ান (NS1) পরীক্ষার কিট পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা এবং অন্যান্য বড় শহরের হাসপাতালগুলোতেও বিশেষ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে অতিরিক্ত চিকিৎসা-সুবিধাও চালু করা হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু হাসপাতালের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে স্থানীয় পর্যায়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং মসজিদের ইমামদেরও মানুষকে সচেতন করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা গেলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণই হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।