খাদ্য মজুদ ১৭.৭১ লাখ টন,পরিস্থিতি‘সন্তোষজনক’
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
- / 28
দেশের সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুদ স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। চাল-গম আমদানি ও অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ—দুই দিকেই কার্যক্রম চলছে, যদিও কিছু চাল ও গম এখনও পথে রয়েছে।
সংসদে দেওয়া লিখিত জবাবে খাদ্যমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি গুদামে মোট ১৭ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এর মধ্যে চাল ১৪ লাখ ৬৪ হাজার টন এবং গম ৩ লাখ ৭ হাজার টন।
টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, মজুতের বর্তমান স্তরকে সরকার সন্তোষজনক বলেই দেখছে। তবে এটাকে স্থির ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই—সরবরাহ ঠিক রাখতে আমদানি ও অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ সমান্তরালভাবে চালু রাখা হয়েছে।
সরকারি ব্যবস্থায় বিদেশ থেকে চাল ও গম আনা হচ্ছে জি-টু-জি ও আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতিতে। একই সঙ্গে দেশে বোরো ও আমন মৌসুমে মিলারদের কাছ থেকে চাল এবং কৃষক কার্ডধারীদের কাছ থেকে ধান-গম নির্ধারিত দামে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তির বিপরীতে এখন পর্যন্ত ৩ দশমিক ৫৭ লাখ টন চাল গুদামে পৌঁছেছে। বাকি ২ দশমিক ৪৩ লাখ টন এখনও আসার অপেক্ষায়।
অন্যদিকে, গমের ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ১০ লাখ টনের চুক্তির বিপরীতে ৭ দশমিক ০৩ লাখ টন ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট প্রায় ৬০ হাজার টন গম বহনকারী একটি জাহাজ ২৪ এপ্রিলের মধ্যে চট্টগ্রামে ভেড়ার কথা রয়েছে।
সামনের বোরো মৌসুম (মে–আগস্ট) ঘিরেও প্রস্তুতি চলছে। এ সময়ে ১২ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ টন আতপ চাল এবং ৫ লাখ টন ধান সংগ্রহের প্রস্তাব চূড়ান্ত হলে সেই অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান মন্ত্রী।
আগামী অর্থবছরেও প্রয়োজন অনুযায়ী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ অব্যাহত থাকবে—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
































