ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 128

ছবি সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে জেলার ৯১৩টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়। শুরু থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিতভাবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ভোরের দিকে ভোটার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানান, ভোটাররা ইতোমধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের আসতে দেখা গেছে।

জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভোটারদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচনকে ঘিরে পাঁচ স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি বিজিবি, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ভ্রাম্যমাণ আদালতও দায়িত্ব পালন করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কিশোরগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কিশোরগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে জেলার ৯১৩টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট শুরু হয়। শুরু থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিতভাবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ভোরের দিকে ভোটার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানান, ভোটাররা ইতোমধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের আসতে দেখা গেছে।

জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভোটারদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচনকে ঘিরে পাঁচ স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি বিজিবি, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ভ্রাম্যমাণ আদালতও দায়িত্ব পালন করছে।