ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের আকাশসীমা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি ইসরাইলের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / 159

প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশে জ্বালানি নেওয়ার পর উড্ডয়নরত E-3 Sentry।

ইরানের আকাশসীমায় প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং মার্কিন বিমান বাহিনী। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ভাঙন তৈরি হয়েছে।

তবে বাস্তব পরিস্থিতি যে একেবারে তাদের অনুকূলে—এমন স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো মেলেনি। কারণ একই সময়ে ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

যৌথ অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় ১২০০টি বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ হামলার পর ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামো কার্যত অকার্যকর—এমন কথাও বলা হচ্ছে।

কিন্তু আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অন্য ছবি দেখাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান পাল্টা আঘাত হানছে।

বিশেষ করে বাহরাইন, কুয়েত, ইরাক এবং কাতার–এ থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো হামলার মুখে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এতে সংঘাতের পরিধি যে সীমান্ত পেরিয়ে বিস্তৃত হচ্ছে, তা স্পষ্ট।

রোববার (১ মার্চ) সকাল সোয়া দশটার পর রাজধানী তেহরান–এ ইরান সরকারের প্রধান কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এবারের অভিযানে শুধু প্রচলিত সামরিক স্থাপনাই নয়, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে পরিচিত ‘থারাল্লাহ’ সদর দপ্তরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, এই হামলা কেবল সামরিক সক্ষমতা নয়—প্রতীকী প্রভাব তৈরির দিকেও নজর রেখে চালানো হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের আকাশসীমা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি ইসরাইলের

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ইরানের আকাশসীমায় প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং মার্কিন বিমান বাহিনী। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক যৌথ অভিযানে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের ভাঙন তৈরি হয়েছে।

তবে বাস্তব পরিস্থিতি যে একেবারে তাদের অনুকূলে—এমন স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো মেলেনি। কারণ একই সময়ে ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

যৌথ অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় ১২০০টি বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ হামলার পর ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা কাঠামো কার্যত অকার্যকর—এমন কথাও বলা হচ্ছে।

কিন্তু আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অন্য ছবি দেখাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ইরান পাল্টা আঘাত হানছে।

বিশেষ করে বাহরাইন, কুয়েত, ইরাক এবং কাতার–এ থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো হামলার মুখে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এতে সংঘাতের পরিধি যে সীমান্ত পেরিয়ে বিস্তৃত হচ্ছে, তা স্পষ্ট।

রোববার (১ মার্চ) সকাল সোয়া দশটার পর রাজধানী তেহরান–এ ইরান সরকারের প্রধান কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এবারের অভিযানে শুধু প্রচলিত সামরিক স্থাপনাই নয়, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে পরিচিত ‘থারাল্লাহ’ সদর দপ্তরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, এই হামলা কেবল সামরিক সক্ষমতা নয়—প্রতীকী প্রভাব তৈরির দিকেও নজর রেখে চালানো হচ্ছে।