ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিজ্ঞরা বাদ, সারের ডিলার নেতার স্বজনরা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 12

অভিজ্ঞরা বাদ, সারের ডিলার নেতার স্বজনরা

সারাদেশে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক নেতা, তাঁদের স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়স্বজনকে ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নিয়োগবঞ্চিত আবেদনকারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ৫৫ জেলার আংশিক তালিকা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের দাবি, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ৮০ শতাংশই অনভিজ্ঞ ও নতুন ট্রেড লাইসেন্সধারী। তালিকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নামও রয়েছে।

সারাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার ডিলার নিয়োগের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৪৭ হাজারের বেশি। নীতিমালা অনুযায়ী, যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য তিন প্রার্থীর নামের প্যানেল মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা। তবে অভিযোগ উঠেছে, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয় এবং দলীয় সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রংপুরের পীরগাছায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার সইযুক্ত দলীয় প্যাডে প্রশাসনের কাছে পাঠানো তালিকার সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত তালিকার নাম ও ক্রমের মিল পাওয়া গেছে। উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের আটটিতে দলীয় তালিকার প্রথমে থাকা ব্যক্তি ডিলারশিপ পেয়েছেন। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি নেতাদের পাশাপাশি অন্নদানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মেয়ে ও দিনাজপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জয়িতা আক্তার জিনিও রয়েছেন। ইটাকুমারীতে ডিলার হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের শ্বশুর।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নে ডিলার হয়েছেন সোলায়মান ইসলাম মাস্টারের স্ত্রী জুঁই আক্তার। সোলায়মানের নাম-পরিচয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্যাডে প্রকাশিত একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিতর্ক তৈরি হয়। তবে সোলায়মান ও তাঁর স্ত্রীর দাবি, তাঁরা বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং নিয়ম মেনেই ডিলারশিপ পেয়েছেন। এ নিয়োগের তদন্ত ও বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতারা।

নীলফামারীর ডিমলায় দুই বিএনপি নেতার ছেলের ডিলারশিপ পাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের একজন মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদ, যিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক। অন্যজন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানের ছেলে তানভির রাফসান। তিনি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, গুদাম ও আর্থিক সক্ষমতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি।

রাজশাহীতে নিয়োগ পাওয়া ৬৯ জন ডিলারের অধিকাংশই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী কিংবা তাঁদের পরিবারের সদস্য বলে অভিযোগ উঠেছে। চারঘাট, বাঘা, তানোর, পুঠিয়া, পবা ও দুর্গাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাদের স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়রা ডিলারশিপ পেয়েছেন। এসব নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। এক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, তিনজনের নাম পাঠানো হলেও পছন্দের প্রার্থীকে তালিকার প্রথমে রাখা হতো।

রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল বারী বাগমারার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া আটকে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগের চেষ্টা চলছে। জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলা থেকে যাচাই-বাছাই করে পাঠানো তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয় নিয়োগ চূড়ান্ত করেছে। অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেরপুরে ২২ জন ডিলার নিয়োগেও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের অনুসারীদের পাশাপাশি তাঁদের আত্মীয়স্বজন রয়েছেন বলে অভিযোগ। মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী সদস্য আ ক ম আনোয়ারুল হক কালুর দাবি, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগেরই ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা নেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের ছেলে আদনান সাদী, বোনজামাই আরক মিয়া এবং ভাগনের স্ত্রী নুরুন্নাহার আক্তার স্বর্ণা তিনটি ইউনিয়নে ডিলারশিপ পেয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুও ডিলার নিয়োগে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন। ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা ইউনিয়নের নিয়োগ প্রসঙ্গে ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘কে কোথা থেকে কত পার্সেন্ট টাকা নেয়, তা আমি জানি।’

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ডিলার নিয়োগে যোগ্যতা ও সার বিতরণের সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। আর্থিক লেনদেনের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ডিলার নিয়োগে কিছু অনিয়ম হয়েছে। বিষয়টি সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা করা হবে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কৃষি সচিব সেলিম খানকে একাধিকবার ফোন ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিজ্ঞরা বাদ, সারের ডিলার নেতার স্বজনরা

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশে সার ডিলার নিয়োগে দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক নেতা, তাঁদের স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়স্বজনকে ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নিয়োগবঞ্চিত আবেদনকারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ৫৫ জেলার আংশিক তালিকা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের দাবি, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ৮০ শতাংশই অনভিজ্ঞ ও নতুন ট্রেড লাইসেন্সধারী। তালিকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নামও রয়েছে।

সারাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার ডিলার নিয়োগের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৪৭ হাজারের বেশি। নীতিমালা অনুযায়ী, যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য তিন প্রার্থীর নামের প্যানেল মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা। তবে অভিযোগ উঠেছে, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয় এবং দলীয় সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রংপুরের পীরগাছায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাঙ্গার সইযুক্ত দলীয় প্যাডে প্রশাসনের কাছে পাঠানো তালিকার সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত তালিকার নাম ও ক্রমের মিল পাওয়া গেছে। উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের আটটিতে দলীয় তালিকার প্রথমে থাকা ব্যক্তি ডিলারশিপ পেয়েছেন। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি নেতাদের পাশাপাশি অন্নদানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মেয়ে ও দিনাজপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জয়িতা আক্তার জিনিও রয়েছেন। ইটাকুমারীতে ডিলার হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের শ্বশুর।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নে ডিলার হয়েছেন সোলায়মান ইসলাম মাস্টারের স্ত্রী জুঁই আক্তার। সোলায়মানের নাম-পরিচয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্যাডে প্রকাশিত একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিতর্ক তৈরি হয়। তবে সোলায়মান ও তাঁর স্ত্রীর দাবি, তাঁরা বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং নিয়ম মেনেই ডিলারশিপ পেয়েছেন। এ নিয়োগের তদন্ত ও বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতারা।

নীলফামারীর ডিমলায় দুই বিএনপি নেতার ছেলের ডিলারশিপ পাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের একজন মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদ, যিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক। অন্যজন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানের ছেলে তানভির রাফসান। তিনি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, গুদাম ও আর্থিক সক্ষমতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি।

রাজশাহীতে নিয়োগ পাওয়া ৬৯ জন ডিলারের অধিকাংশই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী কিংবা তাঁদের পরিবারের সদস্য বলে অভিযোগ উঠেছে। চারঘাট, বাঘা, তানোর, পুঠিয়া, পবা ও দুর্গাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাদের স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়রা ডিলারশিপ পেয়েছেন। এসব নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। এক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, তিনজনের নাম পাঠানো হলেও পছন্দের প্রার্থীকে তালিকার প্রথমে রাখা হতো।

রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল বারী বাগমারার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া আটকে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগের চেষ্টা চলছে। জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলা থেকে যাচাই-বাছাই করে পাঠানো তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয় নিয়োগ চূড়ান্ত করেছে। অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেরপুরে ২২ জন ডিলার নিয়োগেও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের অনুসারীদের পাশাপাশি তাঁদের আত্মীয়স্বজন রয়েছেন বলে অভিযোগ। মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাহী সদস্য আ ক ম আনোয়ারুল হক কালুর দাবি, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগেরই ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা নেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের ছেলে আদনান সাদী, বোনজামাই আরক মিয়া এবং ভাগনের স্ত্রী নুরুন্নাহার আক্তার স্বর্ণা তিনটি ইউনিয়নে ডিলারশিপ পেয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুও ডিলার নিয়োগে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন। ঈশ্বরগঞ্জের সরিষা ইউনিয়নের নিয়োগ প্রসঙ্গে ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘কে কোথা থেকে কত পার্সেন্ট টাকা নেয়, তা আমি জানি।’

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ডিলার নিয়োগে যোগ্যতা ও সার বিতরণের সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। আর্থিক লেনদেনের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ডিলার নিয়োগে কিছু অনিয়ম হয়েছে। বিষয়টি সংসদীয় কমিটিতে আলোচনা করা হবে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কৃষি সচিব সেলিম খানকে একাধিকবার ফোন ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।