ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেকর্ড লেনদেনের পর শেয়ারবাজারে বড় দরপতন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 20

নতুন নেতৃত্বের প্রথম কার্যদিবসে রেকর্ড লেনদেনের পর দ্বিতীয় কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন দেখা দিয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় বাজারেই সূচক কমেছে এবং বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর নেমে গেছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন নেতৃত্বের অধীনে প্রথম কার্যদিবসে রেকর্ড লেনদেন হলেও সোমবার (৮ জুন) দ্বিতীয় কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে। একই সঙ্গে সবগুলো মূল্যসূচক নিম্নমুখী হয়েছে এবং লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, টানা উত্থানের পর অনেক শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরু করেন। এর ফলে বিক্রির চাপ বাড়ে এবং বাজারে এই দরপতন ঘটে, যা স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দিনভর লেনদেনে ডিএসইতে বেশিরভাগ শেয়ারই দাম কমার তালিকায় থাকে। ফলে সূচক শুরু থেকেই নেতিবাচক অবস্থায় যায় এবং শেষ পর্যন্ত সেই ধারা অব্যাহত থাকে।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১০২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে ২৪৭টির এবং ৪৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএক্স ৩৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৮২ পয়েন্টে নেমেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমেছে। টানা নয় কার্যদিবসের ঊর্ধ্বগতির পর এদিন পতন দেখা যায়।

লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৭২ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সিএএসপিআই সূচক ৮৪ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৮টির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ১৩৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৬টির দাম। লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি বড় কোনো অস্থিরতা নয়, বরং পূর্ববর্তী উত্থানের পর স্বাভাবিক সংশোধন। তবে বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও নতুন বিনিয়োগ প্রবাহের ওপর।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রেকর্ড লেনদেনের পর শেয়ারবাজারে বড় দরপতন

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

নতুন নেতৃত্বের প্রথম কার্যদিবসে রেকর্ড লেনদেনের পর দ্বিতীয় কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন দেখা দিয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় বাজারেই সূচক কমেছে এবং বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর নেমে গেছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন নেতৃত্বের অধীনে প্রথম কার্যদিবসে রেকর্ড লেনদেন হলেও সোমবার (৮ জুন) দ্বিতীয় কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে। একই সঙ্গে সবগুলো মূল্যসূচক নিম্নমুখী হয়েছে এবং লেনদেনের পরিমাণও হ্রাস পেয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, টানা উত্থানের পর অনেক শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরু করেন। এর ফলে বিক্রির চাপ বাড়ে এবং বাজারে এই দরপতন ঘটে, যা স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দিনভর লেনদেনে ডিএসইতে বেশিরভাগ শেয়ারই দাম কমার তালিকায় থাকে। ফলে সূচক শুরু থেকেই নেতিবাচক অবস্থায় যায় এবং শেষ পর্যন্ত সেই ধারা অব্যাহত থাকে।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১০২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে ২৪৭টির এবং ৪৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএক্স ৩৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৮২ পয়েন্টে নেমেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমেছে। টানা নয় কার্যদিবসের ঊর্ধ্বগতির পর এদিন পতন দেখা যায়।

লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৭২ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়, যা আগের দিনের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সিএএসপিআই সূচক ৮৪ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৮টির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ১৩৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৬টির দাম। লেনদেনও আগের দিনের তুলনায় কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকায়।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি বড় কোনো অস্থিরতা নয়, বরং পূর্ববর্তী উত্থানের পর স্বাভাবিক সংশোধন। তবে বাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনা নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও নতুন বিনিয়োগ প্রবাহের ওপর।