বন্দর হস্তান্তরের গুঞ্জন নাকচ করলো সরকার
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
- / 23
সরকার বলছে, পুরো বন্দর হস্তান্তরের কোনো সিদ্ধান্ত নেই; নির্দিষ্ট টার্মিনাল পরিচালনায় সীমিত পরিসরে অপারেটর নিয়োগ চলছে।
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি অপারেটরের কাছে তুলে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে সংসদে স্পষ্ট করেছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই অবস্থান জানান।
মন্ত্রীর বক্তব্যে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য উঠে আসে—বন্দর হস্তান্তর নয়, বরং নির্দিষ্ট টার্মিনাল পরিচালনায় অংশীদারিত্ব। তিনি বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের আওতায় বা সরকারের অনুমোদিত কাঠামোর মধ্যেই অপারেটর নিয়োগ করা হয়, এবং তা কেবল টার্মিনাল পরিচালনার জন্যই সীমাবদ্ধ।
একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, বাণিজ্যের চাপ ও সক্ষমতার প্রশ্নটি এখন এড়ানো যাচ্ছে না। আমদানি-রপ্তানির ক্রমবর্ধমান প্রবাহ সামলাতে বন্দরের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ চলছে, যেখানে দেশি-বিদেশি উভয় অপারেটর যুক্ত আছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে বিদেশি অপারেটর ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন করছে।
নদীর ডান তীরে লালদিয়া চরেও নতুন উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী। সেখানে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য পিপিপি পদ্ধতিতে ডেনমার্কভিত্তিক মার্কস গ্রুপের সহায়ক প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস বিভি-এর সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বন্দরের সক্ষমতা আরও বাড়তে পারে—যদিও পুরো বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে, এমন ধারণা তিনি সরাসরি নাকচ করেছেন।































