ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে অস্ত্রের বিজ্ঞাপন, হোয়াটসঅ্যাপে বেচাকেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 46

ফেসবুকে অস্ত্রের বিজ্ঞাপন, হোয়াটসঅ্যাপে বেচাকেনা

দেয়ালে সাজানো আগ্নেয়াস্ত্র, মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও তৈরির সরঞ্জাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র তৈরির ভিডিও প্রকাশের পাশাপাশি চলত বিক্রির বিজ্ঞাপন। পরে ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং দরদাম হতো হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ইছাপুর গ্রামে অভিযান চালায় এসআরবি-কুমিল্লা। এ সময় অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ কারখানাটির মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত আবু মোহাম্মদ তৌকির নেওয়াজ আসিফকে আটক করা হয়।

অভিযানে এসআরবি-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনায় ওই ব্যক্তির আগ্নেয়াস্ত্রের প্রতি বিশেষ আকর্ষণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এ কারণে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অস্ত্র কেনার বিষয়ে কথাবার্তাও বলতেন।

এসআরবির অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছিল। পরে এসব অস্ত্র কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে পৌঁছে যেত বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

লালমাইয়ের ইছাপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় গ্রামের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন ঘটনা থেকে অন্যদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ যেন কিশোর গ্যাংয়ের কবল থেকে মুক্তি পায়।

আটক আসিফের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে এসআরবি। এ ঘটনায় তদন্তের পাশাপাশি অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফেসবুকে অস্ত্রের বিজ্ঞাপন, হোয়াটসঅ্যাপে বেচাকেনা

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

দেয়ালে সাজানো আগ্নেয়াস্ত্র, মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও তৈরির সরঞ্জাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র তৈরির ভিডিও প্রকাশের পাশাপাশি চলত বিক্রির বিজ্ঞাপন। পরে ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং দরদাম হতো হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ইছাপুর গ্রামে অভিযান চালায় এসআরবি-কুমিল্লা। এ সময় অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ কারখানাটির মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত আবু মোহাম্মদ তৌকির নেওয়াজ আসিফকে আটক করা হয়।

অভিযানে এসআরবি-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনায় ওই ব্যক্তির আগ্নেয়াস্ত্রের প্রতি বিশেষ আকর্ষণের বিষয়টি উঠে এসেছে। এ কারণে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অস্ত্র কেনার বিষয়ে কথাবার্তাও বলতেন।

এসআরবির অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছিল। পরে এসব অস্ত্র কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে পৌঁছে যেত বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

লালমাইয়ের ইছাপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন বলেন, এ ঘটনায় গ্রামের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন ঘটনা থেকে অন্যদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ যেন কিশোর গ্যাংয়ের কবল থেকে মুক্তি পায়।

আটক আসিফের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে এসআরবি। এ ঘটনায় তদন্তের পাশাপাশি অভিযান অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।