ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেপ্যাল চালুর পথে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 44

অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় পরিসরের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেপ্যাল চালুর বিষয়টি এগিয়ে নিতে একটি কমিটি কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা এই আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মটি চালু হলে ফ্রিল্যান্স ও রিমোট আয়ের ক্ষেত্রে লেনদেন কিছুটা সহজ হতে পারে—এমন প্রত্যাশাই নীতিনির্ধারকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষ এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মাধ্যমে নতুন ফ্রিল্যান্সার তৈরি করার উদ্যোগও চলমান রয়েছে।

শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয়, উচ্চপ্রযুক্তি খাতেও দক্ষ জনবল তৈরির দিকে জোর দিচ্ছে সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো বিষয়ে কয়েক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার কিছু অংশ শুরু হবে আগামী বছরেই।

এ ছাড়া কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে আইটিইই পরীক্ষাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালানোর কথা জানানো হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্যও বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, যাতে তারা কাজের বাজারে কিছুটা স্বনির্ভর হতে পারেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অনলাইনে ৮০টির বেশি সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক বছরে আরও কয়েকটি সেবা যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে। তবে বাস্তবায়নের গতি ও কার্যকারিতা কতটা হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে এখনও কিছুটা সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পেপ্যাল চালুর পথে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় পরিসরের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পেপ্যাল চালুর বিষয়টি এগিয়ে নিতে একটি কমিটি কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা এই আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মটি চালু হলে ফ্রিল্যান্স ও রিমোট আয়ের ক্ষেত্রে লেনদেন কিছুটা সহজ হতে পারে—এমন প্রত্যাশাই নীতিনির্ধারকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষ এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মাধ্যমে নতুন ফ্রিল্যান্সার তৈরি করার উদ্যোগও চলমান রয়েছে।

শুধু ফ্রিল্যান্সিং নয়, উচ্চপ্রযুক্তি খাতেও দক্ষ জনবল তৈরির দিকে জোর দিচ্ছে সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো বিষয়ে কয়েক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার কিছু অংশ শুরু হবে আগামী বছরেই।

এ ছাড়া কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে আইটিইই পরীক্ষাসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালানোর কথা জানানো হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্যও বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, যাতে তারা কাজের বাজারে কিছুটা স্বনির্ভর হতে পারেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অনলাইনে ৮০টির বেশি সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী এক বছরে আরও কয়েকটি সেবা যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে। তবে বাস্তবায়নের গতি ও কার্যকারিতা কতটা হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে এখনও কিছুটা সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।