ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ইউরেনিয়াম স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নজর: ট্রাম্প

অন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 36

ইউরেনিয়াম স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের নজর

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষিত একটি স্থাপনা যুক্তরাষ্ট্রের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন সাংবাদিক শ্যারিল অ্যাটকিনসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, স্পেস ফোর্সের মাধ্যমে সেখানে পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওই স্থাপনায় অননুমোদিত কেউ প্রবেশের চেষ্টা করলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান বর্তমানে সামরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী এবং স্পেস ফোর্স প্রতিটি মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণ করছে। মূলত ইরানের ইউরেনিয়াম ও ট্রাম্প-এর এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে ইরানকে পুনর্গঠন করতে বহু বছর সময় লাগবে। তিনি আরও জানান যে, হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সীমিত হলেও মিত্রদের সহায়তায় তারা সেখানে অবস্থান করছে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেনের ইরান নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি ওবামার পারমাণবিক চুক্তিকে ইরানের জন্য সুবিধাজনক বলে অভিহিত করেন।

বর্তমানে ইরানের ইউরেনিয়াম ও ট্রাম্প-এর এই বাগযুদ্ধ আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ট্রাম্প ন্যাটোকেও ‘কাগুজে বাঘ’ বলে কটাক্ষ করেন এবং দাবি করেন যে, ইরান আগে যুক্তরাষ্ট্রকে উপহাস করলেও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের যেকোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া হবে। তিনি ইসরায়েল, সৌদি আরব ও কাতারের মতো মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বর্তমানে ইরানের ইউরেনিয়াম ও ট্রাম্প-এর এই দ্বৈরথ বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় প্রভাব ফেলছে। পরিশেষে বলা যায়, ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানের ইউরেনিয়াম স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নজর: ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষিত একটি স্থাপনা যুক্তরাষ্ট্রের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন সাংবাদিক শ্যারিল অ্যাটকিনসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, স্পেস ফোর্সের মাধ্যমে সেখানে পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওই স্থাপনায় অননুমোদিত কেউ প্রবেশের চেষ্টা করলে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান বর্তমানে সামরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী এবং স্পেস ফোর্স প্রতিটি মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণ করছে। মূলত ইরানের ইউরেনিয়াম ও ট্রাম্প-এর এই কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে ইরানকে পুনর্গঠন করতে বহু বছর সময় লাগবে। তিনি আরও জানান যে, হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সীমিত হলেও মিত্রদের সহায়তায় তারা সেখানে অবস্থান করছে।

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেনের ইরান নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি ওবামার পারমাণবিক চুক্তিকে ইরানের জন্য সুবিধাজনক বলে অভিহিত করেন।

বর্তমানে ইরানের ইউরেনিয়াম ও ট্রাম্প-এর এই বাগযুদ্ধ আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ট্রাম্প ন্যাটোকেও ‘কাগুজে বাঘ’ বলে কটাক্ষ করেন এবং দাবি করেন যে, ইরান আগে যুক্তরাষ্ট্রকে উপহাস করলেও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের যেকোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া হবে। তিনি ইসরায়েল, সৌদি আরব ও কাতারের মতো মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বর্তমানে ইরানের ইউরেনিয়াম ও ট্রাম্প-এর এই দ্বৈরথ বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড় প্রভাব ফেলছে। পরিশেষে বলা যায়, ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধকে আরও জটিল করে তুলছে।