র্যালি-সাংস্কৃতিক আয়োজনে জবি দিবস উদযাপন
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- / 18
আনন্দ র্যালি, চারুকলা প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। সফলতার ২১ বছর পেরিয়ে ২২ বছরে পদার্পণ করেছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যে দীপ্তপ্রাণ-ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর সরকারি জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং ক্যাম্পাসে ঘোষণাফলক উন্মোচন করেছিলেন। সেই দিনটির স্মরণে এবার ২০ অক্টোবরের পরিবর্তে ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হচ্ছে।
উদ্বোধনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি আনন্দ র্যালি বের হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় ও ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে আবার ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।
সকাল সোয়া ১০টায় শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় চারুকলা অনুষদের আয়োজনে শিল্পকর্ম ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। পরে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে দুপুর দেড়টায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন রয়েছে। বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নাট্যকলা বিভাগ, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জবি সংসদ ও রঙ্গভূমি অংশ নেয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের পাশাপাশি অফসাইড, কোমল গান্ধার, কিম্ভুত ও স্বরূপ ব্যান্ডের সংগীত পরিবেশনের কথা রয়েছে।
দিনের সমাপনী আয়োজন হিসেবে সন্ধ্যার কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করার কথা রয়েছে নগরবাউল জেমসের। দিনব্যাপী এসব আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।





























