ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় সওজ প্রকৌশলীর ‘মদ কাণ্ড’, গণধোলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 90

খুলনায় সওজ প্রকৌশলী দেবাশীষ কুমার মন্ডল। রোববার রাতে মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে গণধোলাই খাওয়ার পরের অবস্থা। ছবি: সংগৃহীত

মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে একাধিক যানবাহনে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের এক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দিয়ে তিনি ছাড়া পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত প্রকৌশলীর নাম দেবাশীষ কুমার মন্ডল (পরিচিতি নম্বর-৭০০২০৩)। তিনি সওজের খুলনা বিভাগীয় ফেরি উপ-বিভাগে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। সম্প্রতি তিনি পদোন্নতি পেয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে খুলনা নগরীর ময়লাপোতা মোড়ে। ওই সময় তার সঙ্গে গাড়িতে সওজের মেকানিক্যাল বিভাগের অফিস সহকারী মামুন ও এক নারী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-৭৩০০ নম্বরের প্রাইভেটকারটি প্রথমে নগরীর সাতরাস্তা মোড়ে যাত্রীসহ একটি স্কুটিকে ধাক্কা দেয়। পরে ময়লাপোতা মোড়ে এসে দুটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও আরেকটি স্কুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ দুই যাত্রী আহত হন। এ সময় সাদা শার্ট পরিহিত দেবাশীষ মন্ডল মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা গাড়িটি ঘিরে ফেলেন। এ সময় গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে স্থানীয়দের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় গাড়ি থেকে আধা বোতল দেশীয় ব্র্যান্ডের মদ উদ্ধার করা হয়। পরে দুজনকে থানায় নেওয়া হয়। সাথে কোন নারীকে তারা গিয়ে পাননি।

ওসি জানান, আটক দুজনের মধ্যে মামুনের মদ পানের বৈধ লাইসেন্স ছিল। ওই লাইসেন্সের মাধ্যমে মদ কেনা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে দেবাশীষ কুমার মন্ডলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালত থেকে অর্থদণ্ড দেওয়ার পর দেবাশীষ কুমার মন্ডল ছাড়া পেয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পর সওজের ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিত মদ পান করেন এবং এ কাজে সওজের বিভিন্ন কর্মচারীকে ব্যবহার করেন।

ঘটনার পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ নিয়ে সংস্থাটির অভ্যন্তরে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) গুঞ্জন বড়ুয়া বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। দেবাশীষ মন্ডল তার অধীনেই কর্মরত। তবে তিনি নিজে ছুটিতে থাকায় পুরো বিষয়টি জানেন না।

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম খানও বলেন, তিনিও বিষয়টি শুনেছেন; তবে বিস্তারিত ঘটনা তার জানা নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে দেবাশীষ কুমার মন্ডলের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, এর আগে দেবাশীষ কুমার মন্ডল সওজের মাগুরা ১ম সারি কারখানা উপ-বিভাগে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়মিত অফিস না করে তিনি মাসে একবার গিয়ে বেতন তুলতেন। এ অবস্থার মধ্যেই তিনি পদোন্নতি পান।

দেবাশীষের খুলনায় অবস্থান ও দায়িত্ব পালন নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) গুঞ্জন বড়ুয়ার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তাকে মাগুরায় না পাঠিয়ে খুলনায় রাখা হয়। আরও অভিযোগ, গুঞ্জন বড়ুয়ার হয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারের সঙ্গে কমিশন-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন দেবাশীষ।

সওজের একাধিক সূত্রের দাবি, খুলনা ফেরি বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা থাকা সত্ত্বেও বিশেষ সুবিধার কারণে মাগুরা থেকে দেবাশীষকে খুলনায় নিয়ে আসা হয়। তার পদায়ন ও দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে সংস্থার ভেতরেও প্রশ্ন রয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, দেবাশীষের মূল কর্মস্থল মাগুরা হলেও তিনি প্রেষণে খুলনা ১ম সারি কারখানা উপ-বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে এই দায়িত্ব দাপ্তরিক আদেশে নাকি মৌখিকভাবে দেওয়া হয়েছিল, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

দেবাশীষ বর্তমানে খুলনা ফেরি বিভাগে কর্মরত- নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) গুঞ্জন বড়ুয়া এমন দাবি করলেও আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিকের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে এর মিল পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, দেবাশীষের কর্মস্থল যশোর। ফলে দেবাশীষের প্রকৃত কর্মস্থল ও খুলনায় দায়িত্ব পালনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে এসকল কিছুর পেছনে উঠে এসেছে একটি নাম। আসাদুজ্জামান ওরফে পার্সেন্টিজ বাবু নামে ওই ব্যাক্তি খুলনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদার করেন। সওজ সূত্র বলছেন, সম্প্রতি নির্বাহী প্রকৌশলী গুঞ্জণ বড়ুয়াকে ২০ লাখ টাকা খরচ করে বগুড়া থেকে বদলি করে খুলনায় নিয়ে এসেছেন। বাবু, দেবাশীষ এবং গুঞ্জন বড়ুয়া- এই তিনে মিলে মেকানিক্যালের সকল কাজের স্টিমেট, কাজ ও কমিশন বন্টন করে থাকেন।

অভিযোগের বিষয়ে আসাদুজ্জামান বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে জানান, তিনি বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করেন। তিনি নিজে সওজে ঠিকাদারি করেন না। তবে তার পরিচিত লোকজন সেখানে ঠিকাদারি করেন। গুঞ্জণ বড়ুয়া কিংবা দেবাশীষ মন্ডলকে চেনেন কি না- এমেন প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খুলনায় সওজ প্রকৌশলীর ‘মদ কাণ্ড’, গণধোলাই

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে একাধিক যানবাহনে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের এক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দিয়ে তিনি ছাড়া পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত প্রকৌশলীর নাম দেবাশীষ কুমার মন্ডল (পরিচিতি নম্বর-৭০০২০৩)। তিনি সওজের খুলনা বিভাগীয় ফেরি উপ-বিভাগে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। সম্প্রতি তিনি পদোন্নতি পেয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে খুলনা নগরীর ময়লাপোতা মোড়ে। ওই সময় তার সঙ্গে গাড়িতে সওজের মেকানিক্যাল বিভাগের অফিস সহকারী মামুন ও এক নারী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-৭৩০০ নম্বরের প্রাইভেটকারটি প্রথমে নগরীর সাতরাস্তা মোড়ে যাত্রীসহ একটি স্কুটিকে ধাক্কা দেয়। পরে ময়লাপোতা মোড়ে এসে দুটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও আরেকটি স্কুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ দুই যাত্রী আহত হন। এ সময় সাদা শার্ট পরিহিত দেবাশীষ মন্ডল মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা গাড়িটি ঘিরে ফেলেন। এ সময় গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে স্থানীয়দের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় গাড়ি থেকে আধা বোতল দেশীয় ব্র্যান্ডের মদ উদ্ধার করা হয়। পরে দুজনকে থানায় নেওয়া হয়। সাথে কোন নারীকে তারা গিয়ে পাননি।

ওসি জানান, আটক দুজনের মধ্যে মামুনের মদ পানের বৈধ লাইসেন্স ছিল। ওই লাইসেন্সের মাধ্যমে মদ কেনা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে দেবাশীষ কুমার মন্ডলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালত থেকে অর্থদণ্ড দেওয়ার পর দেবাশীষ কুমার মন্ডল ছাড়া পেয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পর সওজের ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিত মদ পান করেন এবং এ কাজে সওজের বিভিন্ন কর্মচারীকে ব্যবহার করেন।

ঘটনার পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ নিয়ে সংস্থাটির অভ্যন্তরে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) গুঞ্জন বড়ুয়া বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। দেবাশীষ মন্ডল তার অধীনেই কর্মরত। তবে তিনি নিজে ছুটিতে থাকায় পুরো বিষয়টি জানেন না।

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম খানও বলেন, তিনিও বিষয়টি শুনেছেন; তবে বিস্তারিত ঘটনা তার জানা নেই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে দেবাশীষ কুমার মন্ডলের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, এর আগে দেবাশীষ কুমার মন্ডল সওজের মাগুরা ১ম সারি কারখানা উপ-বিভাগে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিয়মিত অফিস না করে তিনি মাসে একবার গিয়ে বেতন তুলতেন। এ অবস্থার মধ্যেই তিনি পদোন্নতি পান।

দেবাশীষের খুলনায় অবস্থান ও দায়িত্ব পালন নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) গুঞ্জন বড়ুয়ার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তাকে মাগুরায় না পাঠিয়ে খুলনায় রাখা হয়। আরও অভিযোগ, গুঞ্জন বড়ুয়ার হয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারের সঙ্গে কমিশন-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন দেবাশীষ।

সওজের একাধিক সূত্রের দাবি, খুলনা ফেরি বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা থাকা সত্ত্বেও বিশেষ সুবিধার কারণে মাগুরা থেকে দেবাশীষকে খুলনায় নিয়ে আসা হয়। তার পদায়ন ও দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে সংস্থার ভেতরেও প্রশ্ন রয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, দেবাশীষের মূল কর্মস্থল মাগুরা হলেও তিনি প্রেষণে খুলনা ১ম সারি কারখানা উপ-বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে এই দায়িত্ব দাপ্তরিক আদেশে নাকি মৌখিকভাবে দেওয়া হয়েছিল, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

দেবাশীষ বর্তমানে খুলনা ফেরি বিভাগে কর্মরত- নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) গুঞ্জন বড়ুয়া এমন দাবি করলেও আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিকের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে এর মিল পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, দেবাশীষের কর্মস্থল যশোর। ফলে দেবাশীষের প্রকৃত কর্মস্থল ও খুলনায় দায়িত্ব পালনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে এসকল কিছুর পেছনে উঠে এসেছে একটি নাম। আসাদুজ্জামান ওরফে পার্সেন্টিজ বাবু নামে ওই ব্যাক্তি খুলনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঠিকাদার করেন। সওজ সূত্র বলছেন, সম্প্রতি নির্বাহী প্রকৌশলী গুঞ্জণ বড়ুয়াকে ২০ লাখ টাকা খরচ করে বগুড়া থেকে বদলি করে খুলনায় নিয়ে এসেছেন। বাবু, দেবাশীষ এবং গুঞ্জন বড়ুয়া- এই তিনে মিলে মেকানিক্যালের সকল কাজের স্টিমেট, কাজ ও কমিশন বন্টন করে থাকেন।

অভিযোগের বিষয়ে আসাদুজ্জামান বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে জানান, তিনি বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করেন। তিনি নিজে সওজে ঠিকাদারি করেন না। তবে তার পরিচিত লোকজন সেখানে ঠিকাদারি করেন। গুঞ্জণ বড়ুয়া কিংবা দেবাশীষ মন্ডলকে চেনেন কি না- এমেন প্রশ্ন শুনে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।