ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলজিইডি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 281

প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আছাব আলী

সরকারি দপ্তর। ফাইলের স্তূপ। আর সেই ফাইল নড়াতে নাকি দিতে হয় কমিশন! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ঢাকা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আছাব আলীর বিরুদ্ধে।

তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ কমিশন আদায়, সরকারি যানবাহনের নামে ভুয়া বিল তৈরি এবং লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত চেয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন আবুল খায়ের নামে এক ব্যক্তি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই আছাব আলী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারের কাছ থেকে এজি অফিসের নাম ভাঙিয়ে ১৫ শতাংশ হারে কমিশন নেন। অভিযোগকারীর দাবি, কমিশন না দিলে সংশ্লিষ্ট ফাইলে স্বাক্ষর করেন না তিনি।

শুধু কমিশন আদায় নয়, অভিযোগের তালিকা আরও দীর্ঘ। রোড রোলার, ট্রাক, জিপসহ সরকারি বিভিন্ন যানবাহনের বিপরীতে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিল তৈরি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে শুধু অফিসের আর্থিক অনিয়মের কথাই বলা হয়নি। আছাব আলীর আয়-ব্যয় এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগকারী মন্ত্রণালয়ের কাছে তাঁর সম্পদের উৎস এবং চাকরিজীবনের আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য যাচাই করার আবেদন করেছেন। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ। লিখিত আবেদনে দাবি করা হয়েছে, আছাব আলী নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং অফিস চলাকালীন নিজের কক্ষেই মাদক গ্রহণ করেন।

অভিযোগকারীর দাবি, এতে তাঁর কক্ষে তীব্র দুর্গন্ধ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশেও অসুবিধা হয়। এমনকি ড্রাগ টেস্ট করানো হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আছাব আলী তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এলজিইডি প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি দপ্তর। ফাইলের স্তূপ। আর সেই ফাইল নড়াতে নাকি দিতে হয় কমিশন! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ঢাকা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আছাব আলীর বিরুদ্ধে।

তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ কমিশন আদায়, সরকারি যানবাহনের নামে ভুয়া বিল তৈরি এবং লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত চেয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন আবুল খায়ের নামে এক ব্যক্তি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই আছাব আলী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারের কাছ থেকে এজি অফিসের নাম ভাঙিয়ে ১৫ শতাংশ হারে কমিশন নেন। অভিযোগকারীর দাবি, কমিশন না দিলে সংশ্লিষ্ট ফাইলে স্বাক্ষর করেন না তিনি।

শুধু কমিশন আদায় নয়, অভিযোগের তালিকা আরও দীর্ঘ। রোড রোলার, ট্রাক, জিপসহ সরকারি বিভিন্ন যানবাহনের বিপরীতে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে বিল তৈরি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে শুধু অফিসের আর্থিক অনিয়মের কথাই বলা হয়নি। আছাব আলীর আয়-ব্যয় এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগকারী মন্ত্রণালয়ের কাছে তাঁর সম্পদের উৎস এবং চাকরিজীবনের আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য যাচাই করার আবেদন করেছেন। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ। লিখিত আবেদনে দাবি করা হয়েছে, আছাব আলী নিয়মিত মাদক সেবন করেন এবং অফিস চলাকালীন নিজের কক্ষেই মাদক গ্রহণ করেন।

অভিযোগকারীর দাবি, এতে তাঁর কক্ষে তীব্র দুর্গন্ধ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশেও অসুবিধা হয়। এমনকি ড্রাগ টেস্ট করানো হলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে দেওয়া লিখিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আছাব আলী তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।