ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে সঙ্গী হচ্ছেন ২৮ জন: পররাষ্ট্র সচিব

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 29

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম

বাংলাদেশ সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে তাঁর সঙ্গে ২৮ জন সদস্যের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল যাচ্ছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম বিদেশ সফরের প্রতিনিধিদলের সদস্য সংখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডাগুলো নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গীদের তালিকায় থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীসহ সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারক। মালয়েশিয়া ও চীন—এই দুই দেশেই এই প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও কূটনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নেবে। এবারের পুরো সফরের মূল লক্ষ্য বা ফোকাস থাকবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি, হালাল অর্থনীতি এবং কর্মী প্রেরণ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলো।

মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মূল এজেন্ডা:

কুয়ালালামপুর সফরে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হিসেবে থাকছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সম্প্রসারণ। সেখানে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও মালয়েশীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে বেইজিং সফরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামরিক অংশীদারিত্বের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এই সফরেচীনের সঙ্গে দুটি মূল চুক্তি এবং প্রায় ১৩টি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি চীনের বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা উন্নয়নের মতো কৌশলগত বিষয়গুলো স্থান পাবে। এছাড়া দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে বহুল আলোচিত তিস্তা নদীসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বেইজিংয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সামগ্রিকভাবে এই সফরকে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি diplomatic বা কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে সঙ্গী হচ্ছেন ২৮ জন: পররাষ্ট্র সচিব

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে তাঁর সঙ্গে ২৮ জন সদস্যের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল যাচ্ছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রথম বিদেশ সফরের প্রতিনিধিদলের সদস্য সংখ্যা ও গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডাগুলো নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই উচ্চপর্যায়ের সফরসঙ্গীদের তালিকায় থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীসহ সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারক। মালয়েশিয়া ও চীন—এই দুই দেশেই এই প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও কূটনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নেবে। এবারের পুরো সফরের মূল লক্ষ্য বা ফোকাস থাকবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি, হালাল অর্থনীতি এবং কর্মী প্রেরণ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলো।

মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মূল এজেন্ডা:

কুয়ালালামপুর সফরে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হিসেবে থাকছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের সম্প্রসারণ। সেখানে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও মালয়েশীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

অন্যদিকে বেইজিং সফরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামরিক অংশীদারিত্বের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এই সফরেচীনের সঙ্গে দুটি মূল চুক্তি এবং প্রায় ১৩টি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি চীনের বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা উন্নয়নের মতো কৌশলগত বিষয়গুলো স্থান পাবে। এছাড়া দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে বহুল আলোচিত তিস্তা নদীসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বেইজিংয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সামগ্রিকভাবে এই সফরকে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি diplomatic বা কূটনৈতিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।