ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্ত জনসংখ্যা খতিয়ে দেখছে ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 11

বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা রাজ্যগুলোতে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গঠিত উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিকে সীমান্তবর্তী রাজ্য ও জেলাগুলোতে জনমিতিক পরিবর্তন বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি উঠে আসে শনিবার (১৩ জুন) অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান এবং রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে কমিটির কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

সূত্র অনুযায়ী, কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং তাদের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর আগের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলমান বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে বাদ পড়া নামগুলোও তারা পর্যালোচনা করবে।

গত ২৬ মে গঠিত এই কমিটি সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকারের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। কমিটির সদস্যরা সীমান্তবর্তী জেলা, বড় শহর এবং শিল্পাঞ্চল পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার মতো সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। নতুন এই উদ্যোগ সেই আলোচনাকে আরও তীব্র করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিটির কার্যপরিধিতে সীমান্ত অঞ্চলে জনসংখ্যার পরিবর্তনের কারণ বিশ্লেষণ এবং এ বিষয়ে নীতিগত সুপারিশ প্রণয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি কথিত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ, আটক ও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা গঠনের সুপারিশও তাদের দায়িত্বের অংশ।

কমিটিতে সাবেক আমলা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকসহ একাধিক অভিজ্ঞ ব্যক্তি যুক্ত আছেন। তারা বিভিন্ন সরকারি সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সংগ্রহ করছেন বলে জানা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সীমান্ত জনসংখ্যা খতিয়ে দেখছে ভারত

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা রাজ্যগুলোতে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গঠিত উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিকে সীমান্তবর্তী রাজ্য ও জেলাগুলোতে জনমিতিক পরিবর্তন বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি উঠে আসে শনিবার (১৩ জুন) অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর প্রধান এবং রেজিস্ট্রার জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে কমিটির কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

সূত্র অনুযায়ী, কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং তাদের পরিকল্পনাও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর আগের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলমান বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে বাদ পড়া নামগুলোও তারা পর্যালোচনা করবে।

গত ২৬ মে গঠিত এই কমিটি সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকারের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। কমিটির সদস্যরা সীমান্তবর্তী জেলা, বড় শহর এবং শিল্পাঞ্চল পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার মতো সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। নতুন এই উদ্যোগ সেই আলোচনাকে আরও তীব্র করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিটির কার্যপরিধিতে সীমান্ত অঞ্চলে জনসংখ্যার পরিবর্তনের কারণ বিশ্লেষণ এবং এ বিষয়ে নীতিগত সুপারিশ প্রণয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি কথিত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ, আটক ও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা গঠনের সুপারিশও তাদের দায়িত্বের অংশ।

কমিটিতে সাবেক আমলা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকসহ একাধিক অভিজ্ঞ ব্যক্তি যুক্ত আছেন। তারা বিভিন্ন সরকারি সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সংগ্রহ করছেন বলে জানা গেছে।