ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রিল্যান্স আয়ে কর ছাড়ের প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 9

নতুন বাজেটে ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে করনীতিতে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর কর অব্যাহতি সম্প্রসারণ করা হবে, যা বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের মধ্যে সীমিত ছিল।

তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিকে উৎসাহ দিতে এসব আয়ের ওপর কর পুরোপুরি প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে আয়ের প্রবাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব এসেছে। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন ও ক্রীড়া খাতে বিনিয়োগে প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফ্রিল্যান্স আয়ে কর ছাড়ের প্রস্তাব

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নতুন বাজেটে ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে করনীতিতে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর কর অব্যাহতি সম্প্রসারণ করা হবে, যা বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের মধ্যে সীমিত ছিল।

তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিকে উৎসাহ দিতে এসব আয়ের ওপর কর পুরোপুরি প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে আয়ের প্রবাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখার প্রস্তাব এসেছে। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন ও ক্রীড়া খাতে বিনিয়োগে প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।