ঈদে বেনাপোল বন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / 99
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৭ দিন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরণের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই সীমান্ত বন্দরে বাণিজ্যিক স্থবিরতা বজায় থাকবে এবং ১ জুন সকাল থেকে পুনরায় পণ্য খালাস শুরু হবে। তবে এই সুদীর্ঘ ছুটির দিনগুলোতেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী সাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে।
আসন্ন ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করতে বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়ায় দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বারে ছুটির ঘণ্টা বাজতে চলেছে। দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে এই দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক বিরতির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মূলত ঈদে বেনাপোল বন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ শিরোনামের এই অবধারিত ছুটির ঘোষণাটি আজ দুপুরে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়। তবে ঈদের দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে কাস্টমস হাউজের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কাজ সীমিত পরিসরে চালু রাখা হবে।
সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে ২৪ মে বিকেল থেকেই দুই দেশের মধ্যে ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে এবং ১ জুন থেকে আগের নিয়মে কর্মব্যস্ততা ফিরবে। বর্তমানে ঈদে বেনাপোল বন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকার এই সময়ে কোনো আমদানিকারক যদি জরুরি ভিত্তিতে পণ্য খালাস করতে চান, তবে তাকে বিশেষ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ও সিএন্ডএফ এজেন্ট ছুটিতে থাকায় এই সময়ে সাধারণ পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া বন্ধই থাকবে।
দীর্ঘ এই ছুটির দিনগুলোতে বন্দরে যাতে কোনো ধরণের চুরি, অগ্নিকাণ্ড বা নাশকতামূলক অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য চার স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। বর্তমানে ঈদে বেনাপোল বন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ রাখার পাশাপাশি আনসার বাহিনী ও পোর্ট থানার পুলিশ সদস্যদের সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করেছেন ট্রাফিক পরিচালক।
পরিশেষে বলা যায়, বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থমকে গেলেও বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের স্ট্যান্ডবাই ডিউটির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।






































