শান্তিরক্ষীদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
- / 62
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা শুধু দেশের স্বাধীনতার চেতনা ধারণই করেন না, জাতিসংঘের পতাকাতলে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাতেও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ, পেশাদারিত্ব ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ প্রমাণ করে তারা মাতৃভূমির পাশাপাশি বিশ্বশান্তি রক্ষায়ও নিবেদিত।
অনুষ্ঠানে তিনি ২০২৫ সালে সুদানে জাতিসংঘ মিশনে শহীদ হওয়া ৬ সেনাসদস্যের পরিবারের হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন মিশনে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও সম্মানিত করেন। বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনরত শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কুশল বিনিময়ও করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর ২ লাখের বেশি সদস্য বিশ্বের ৪৩টি দেশে প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ৪ হাজার ২১২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ৯টি মিশনে কর্মরত রয়েছেন এবং হাইতিতে নতুন মিশনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্যের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। তাদের সাহসী ও দক্ষ উপস্থিতি মিশনগুলোতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, ঐক্য এবং কমান্ড কাঠামো বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, অপপ্রচার ও জলবায়ুজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকিকে বিশ্বশান্তির নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে ধারাবাহিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বিশ্বশান্তি, সার্বভৌমত্ব, পারস্পরিক সম্মান এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।






























