ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েল যুদ্ধ থামাতে কঠোর পদক্ষেপ লেবানন প্রেসিডেন্টের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 53

ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামাতে তিনি “অসম্ভব” সবকিছু করার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও সীমান্তজুড়ে হামলা ও পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে আউন বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, সীমান্তে লেবাননের সেনা মোতায়েন, বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবর্তন এবং অর্থনৈতিক সহায়তাই আলোচনার মূল কাঠামো।

তিনি আরও বলেন, “আমার দায়িত্ব হলো যুদ্ধ বন্ধ করতে সবচেয়ে কম ক্ষতিকর পথ বেছে নেওয়া, এমনকি তা যত কঠিনই হোক না কেন।”

এ সময় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক বিমান হামলা চালায়। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরায়েলে একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে সহিংসতা থামেনি। ইসরায়েল নিয়মিত হামলা, ধ্বংস অভিযান ও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

হিজবুল্লাহও সীমান্ত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এসব হামলাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনের জবাব হিসেবে বর্ণনা করছে।

চুক্তি টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রে লেবানন-ইসরায়েল আলোচনা হলেও হিজবুল্লাহ এতে বিরোধিতা জানিয়েছে। সাম্প্রতিক আলোচনার পর যুদ্ধবিরতি আরও ৪৫ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক হামলায় লেবাননে কয়েকজন নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল এবং ছোট পরিসরের হামলা সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইসরায়েল যুদ্ধ থামাতে কঠোর পদক্ষেপ লেবানন প্রেসিডেন্টের

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামাতে তিনি “অসম্ভব” সবকিছু করার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও সীমান্তজুড়ে হামলা ও পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে আউন বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, সীমান্তে লেবাননের সেনা মোতায়েন, বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবর্তন এবং অর্থনৈতিক সহায়তাই আলোচনার মূল কাঠামো।

তিনি আরও বলেন, “আমার দায়িত্ব হলো যুদ্ধ বন্ধ করতে সবচেয়ে কম ক্ষতিকর পথ বেছে নেওয়া, এমনকি তা যত কঠিনই হোক না কেন।”

এ সময় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক বিমান হামলা চালায়। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরায়েলে একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে সহিংসতা থামেনি। ইসরায়েল নিয়মিত হামলা, ধ্বংস অভিযান ও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

হিজবুল্লাহও সীমান্ত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এসব হামলাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘনের জবাব হিসেবে বর্ণনা করছে।

চুক্তি টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রে লেবানন-ইসরায়েল আলোচনা হলেও হিজবুল্লাহ এতে বিরোধিতা জানিয়েছে। সাম্প্রতিক আলোচনার পর যুদ্ধবিরতি আরও ৪৫ দিনের জন্য বাড়ানো হয়েছে।

ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক হামলায় লেবাননে কয়েকজন নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল এবং ছোট পরিসরের হামলা সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।