ঈদের দিন ঝড়ের শঙ্কা যেসব জেলায়
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
- / 29
আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহার দিনে দেশে তীব্র কালবৈশাখী ও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের শেষার্ধে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঈদের দিনসহ মে মাসের শেষ দিকে সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহার আনন্দ মাটি করে দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২৮ মে ঈদের দিন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বা তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত ঈদের দিন ঝড়ের শঙ্কা থাকার কারণ হিসেবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সক্রিয়তাকে দায়ী করছেন আবহাওয়াবিদরা।
ড. মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, মে মাসের শেষ সপ্তাহে সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। এর ফলে ঈদের নামাজের সময় বা পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, এই মাসে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ঈদের দিন ঝড়ের শঙ্কা মাথায় রেখে প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ময়মনসিংহে ৩৪০-৩৬০ মিমি এবং চট্টগ্রামে ৩৩০-৩৫০ মিমি পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকা ও রংপুর বিভাগেও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় কুরবানির পশুর হাট এবং যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঈদের দিন ঝড়ের শঙ্কা থাকায় ২ থেকে ৩ দিন চরম আবহাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
রাজশাহী ও খুলনায় তুলনামূলক কম বৃষ্টি হলেও ঝোড়ো হাওয়া থেকে মুক্ত থাকার নিশ্চয়তা নেই। পরিশেষে বলা যায়, ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখীর পূর্বাভাস মাথায় রেখে ঈদের দিনের পরিকল্পনা আগেভাগেই গুছিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
































