দেশের অর্থনীতি নয়, ইরানকে ঠেকানো অগ্রাধিকার: ট্রাম্প
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
- / 23
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করাই তার প্রধান অগ্রাধিকার, আর সে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেশের ভেতরের অর্থনৈতিক চাপ বা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় তিনি বিবেচনায় নিচ্ছেন না।
হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না—এটাই তার নীতিগত অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দু। অন্য কোনো বিষয় তাকে এই অবস্থান থেকে সরাতে পারবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
তার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে ইতিমধ্যে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। তেলের দাম ও সামগ্রিক ব্যয় সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে বলেও তারা মনে করছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের মূল দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক বিস্তার রোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ এটি সরাসরি বৈশ্বিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও এখন আলোচনার বাইরে নয়। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভোক্তা মূল্যস্ফীতি কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নে বলা হচ্ছে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের সময়সীমায় বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই তারা এক বছরের কাছাকাছি সময়ের মধ্যে সক্ষমতা অর্জনের অবস্থানে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণকে কিছুটা জটিল করেছে।
ইরান অবশ্য বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।





































